• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সাংবাদিকের গায়ে হাত? ধর্মতলা কাঁপিয়ে জবাব দিল সাংবাদিক সমাজ জগন্নাথপুরে প্রথমবারের মতো কৃষি ঋণ বিতরণ শুরু করলো সকল ব্যাংক জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চট্রগ্রামের কিডস্ ক্লাবের বড় সাফল্য কবিতাঃ জগৎ জিততে হবে ​মুক্তিযোদ্ধারা কাঁদলে বাংলাদেশও কাঁদবে: এমপি আমীর এজাজ খান জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির জরুরী সভা: ১০ আগস্টের মধ্যে ওয়ার্ড কমিটি জমার নির্দেশ তাহিরপুরে জমি বিরোধে মামলা করায় নারীসহ ৬ জনকে কুপিয়ে জখম রত্নগর্ভ পিতা-মাতাসহ সায়মাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন লোহাগাড়া ভবন মালিক এসোসিয়েশন বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন, প্রেমিক পলাতক, বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি জারিকারক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্যের প্রক্সি দিতে গিয়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড, শিক্ষক জুয়েল রানাকে নিয়ে প্রশ্ন

ডিমলায় কচুরিপানা অপসারণে উদ্যোগ, জলাবদ্ধতা নিরসনে স্বস্তির আশা

Reporter Name / ৪৬ Time View
Update : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার টিএনটি রোড এলাকা থেকে সিংগাহারা ব্রিজের উত্তর ও দক্ষিণ দিক পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার খালজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানা জমে থাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে দুর্ভোগের পাশাপাশি বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়ায় আমন ধান রোপণেও নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে কৃষকদের।
রবিবার (১৯ জুলাই) এ পরিস্থিতি নিরসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ডিমলা উপজেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে খাল থেকে কচুরিপানা অপসারণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের কার্যক্রম শুরু হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু মোতালেব, চেয়ারম্যান প্রার্থী মিনালুজ্জামান মিন্টু, ডিমলা উপজেলা ইসলামি ছাএ শিবিরের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে খাল থেকে কচুরিপানা অপসারণের মাধ্যমে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে এনে জলাবদ্ধতা দূর করার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি কচুরিপানায় ভরে থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই আশপাশের এলাকায় পানি জমে যেত। খালটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা গেলে বর্ষা মৌসুমে দ্রুত পানি নিষ্কাশন সম্ভব হবে এবং জনদুর্ভোগের পাশাপাশি কৃষিকাজেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এলাকাবাসী বলেন, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সুফল মিলবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd