• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ডিমলায় যৌতুকের জমি নিয়ে বিরোধে পিটিয়ে বিয়াইনকে হত্যা, আটক ৪ গাজীপুরে অভিযানে পুলিশের গুলিভর্তি পিস্তল নিখোঁজ, উদ্ধারে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা মাদক ছেড়ে মাঠে ফেরাতে পূর্বধলায় ২৪ স্কুলে খেলার সামগ্রী দিলেন এমপি মানসুরা আক্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিত্যক্ত জায়গায় ফুলের বাগান ও শাক-সবজি চাষ, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শিশুসন্তানকে নিয়ে গৃহবধূ নিখোঁজ, চার দিনেও মেলেনি সন্ধান ফুলপুরে সরকারি দপ্তর পরিদর্শন করলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল ও রামদাসহ গ্রেপ্তার ২ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় জেলা পরিষদের মশারি বিতরণ শেরপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

নিয়ামতপুরে বাক ও শ্রবণপ্রতন্ধী  তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

Reporter Name / ৯৩ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

এস এম রকিবুল হাসান
নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের সিদাইন গ্রামে এক বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পরগ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিয়ে এবং পরে ঔষুধ খাইয়ে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার অভিযোগ
উঠেছে। এ ঘটনায় স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়িসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে নিয়ামতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর 
বাবা মো. মিরাজ সোনার।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার মেয়ে লতা খাতুন জন্মগতভাবে বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী 
হওয়ায় নিজের ওপর ঘটে যাওয়া নির্যাতনের 
বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেননি।প্রায় তিন মাস আগে অভিযুক্ত সাখাওয়াত হোসেন কৌশলে ও জোরপূর্বক তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক 
স্থাপন করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।পরবর্তীতে লতা খাতুন অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি 
পরিবারের নজরে আসে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি জানাজানি
হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে গ্রাম্য সালিশ অনুষ্ঠিত হয়।সালিশে সাখাওয়াত হোসেন গর্ভের সন্তান তার বলে স্বীকার করেন। পরে গত ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে আপস-মীমাংসার ভিত্তিতে লতা খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে
 সম্পন্ন হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, বিয়ের পর স্বামীর
বাড়িতে নেওয়ার পর থেকেই লতা খাতুনকে বিভিন্নভাবেশারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৩১ জুলাই দিবাগত রাতে অভিযুক্তরা পরস্পরের যোগসাজশে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার উদ্দেশ্যে লতা খাতুনকে 
ওষুধ খাওয়ান।পরে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তিনি তীব্র পেটব্যথাওশারীরিক যন্ত্রণায় অসুস্থ হয়ে পড়েন।অভিযোগ অনুযায়ী, এরপর অভিযুক্তরা তাকে 
বাবার বাড়িতে রেখে চলে যান।কিছুক্ষণ পর তার গর্ভপাত হয়।
পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত 
নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং 
শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় আছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে এলাকাবাসী অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক 
শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।তাদের ভাষ্য, গর্ভধারণের বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে গ্রাম্য সালিশে সাখাওয়াত হোসেন গর্ভের সন্তান 
নিজের বলে স্বীকার করেন এবং এরপরই উভয়ের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাখাওয়াত হোসেনের 
বাড়িতে গেলে তিনি ও তার মা ক্যামেরার সামনে 
কথা বলতে রাজি হননি।তবে সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে আমার স্ত্রী লতা খাতুনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়।এরপর সে  বাবার বাড়িতে চলে যায়।
এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি।বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd