এস এম রকিবুল হাসান
নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সোগুনা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার ৩১ বছর পেরিয়ে গেলেও বিদ্যালয়ে নির্মাণ হয়নি প্রয়োজনীয় একাডেমিক ভবন। মাটির ঘর জরাজীর্ণ টিনের ছাওনি ও ঝুঁকিপূর্ণ আধাপাকা কক্ষে আতঙ্কের মধ্যে পাঠদান চলছে। দ্রুত একটি ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ ৩১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো মাটির ঘরেই চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।
বর্তমানে বিদ্যালয়ে রয়েছে কয়েকটি জরাজীর্ণ টিনের ঘর। পাশাপাশি রয়েছে দুটি আধাপাকা শ্রেণিকক্ষ। এসব কক্ষের ছাদে ব্যবহার করা হয়েছে বাঁশের কাবারি, তীর ও মাটি। সরেজমিনে দেখা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ এসব কক্ষেই আতঙ্কের মধ্যে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। যেকোনো সময় ছাদ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
শুধু তাই নয় বিদ্যালয়ের একটি মাটির ঘরের দেয়ালে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের ফাটল। ওই দেয়ালটিও যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে এমন আশঙ্কায় আতঙ্কের মধ্যে পাঠদান করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
বিদ্যালয়ে থাকা দুটি পাকা কক্ষও রয়েছে বেহাল অবস্থায়। নেই ভালো কোনো ওয়াশরুমের ব্যবস্থা। এমনকি বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষটিও একটি মাটির জরাজীর্ণ ঘরে।
বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আনিসুর রহমান বলেন বিগত সরকারের আমলে তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বিদ্যালয়ে একটি ভবন করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি।
এ বিষয়ে সোগুনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্বাস আলী মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের কাছে বিদ্যালয়ের জন্য একটি ভবন নির্মাণের অনুরোধ জানিয়েছেন।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ এসব কক্ষের পরিবর্তে দ্রুত একটি আধুনিক একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হলে নিরাপদ পরিবেশে পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।