• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
আজমুল হত্যা- একটি ময়নাতদন্ত কামদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন হাফিজার রহমান হাফিজ উইনিপেগে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে বাবা-মেয়েকে উদ্ধার, দুই বাসিন্দা পেলেন Mayor’s Award of Valour লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন নিয়ে ওসি’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সিংড়ায় ‘আলাপন—নির্বাচনি এক্সপ্রেসে রাস্তাঘাট উন্নয়ন থেকে মাদক-জুয়া প্রতিরোধ— আরিফুলের পরিকল্পনা বেনাপোলে কাস্টমস, বন্দর ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বেনাপোল থেকে দুরপাল্লার আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার, দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়ার শঙ্কা মহান স্বাধীনতার ৫৫ বছর ও জাতীর অপূর্ণ প্রত্যাশা বিশ্বনাথে মাদ্রাসা ছাত্র আরিফ নিখোঁজ, থানায় জিডি Inception Workshop on Nutrition Smart Community Project Held in Netrokona

বকশিবাজার দরবারে ২৬ জুলাই পবিত্র এগারো শরীফ মেহফিল

Reporter Name / ৫৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী “খানকাহ ফকির জহুর আল কাদরী” বকশি বাজার খানকাহ শরিফে ২৬ জুলাই রবিবার বাদ এশা ৮:০০ ঘটিকায় পবিত্র এগারো শরীফ মেহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

পবিত্র মেহফিলে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করবেন, বকশি বাজার দরবার শরীফের বর্তমান গদীনশীন পীর, বিশিষ্ট সমাজসেবক, সুফি স্কলার, শীর্ষ ব্যবসায়ী, দানবীর, ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার আল মোবারকী ক্বাদরী, চিশতি পীর কেবলা।
মেহফিলে সকল স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং খানকাহ শরীফের সকল মুরীদান ,অসংখ্য আশেকে রাসূল, বরেণ্য শিক্ষাবিদ, বিশিষ্ঠ ব্যাবসায়ী, সরকারের উচ্ছপদস্ত’’ কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ওলামা মাশায়েক ও ভক্তরা অংশ গ্রহন করবেন ।
এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এই “পবিত্র ১১ শরীফ” এর মর্যাদা,ফায়েজ ও বরকত অসীম, কল্পনার অতীত। যাহারা আদব, ভক্তি, প্রেম সহকারে উপস্থিত থাকবেন, তাহারা দো যাহান এর কামিয়াবিতে শামিল হইবেন ও অশেষ বরকত এবং ফায়েজ হাসিল করবেন।

পবিত্র ১১ শরীফ নিয়ে বকশি বাজার দরবার শরীফের বর্তমান গদীনশীন পীর, বিশিষ্ট সমাজসেবক, সুফি স্কলার, শীর্ষ ব্যবসায়ী, দানবীর, ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার আল মোবারকী ক্বাদরী, চিশতি পীর কেবলা বলেন, পবিত্র এগারো শরীফ ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব, পীরানে পীর গাউসুল আজম দস্তগীর হযরত মুহিউদ্দিন আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর স্মরণে পালিত হয়। পবিত্র ১১ই শরীফ একটি বরকতময় ফাতেহা অনুষ্ঠান যা অলি-আউলিয়াদের শিরোমণি বড় পীরের জীবনের শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক অবদান স্মরণ করার দিন ।
পীর সাহেব কেবলা আরো বলেন, এটি ভক্তি ও মুহাব্বতের সাথে পালন করলে অভাব দূর হয়, পরিবারে শান্তি আসে এবং আল্লাহ ও তাঁর প্রিয় অলিগণের নৈকট্য লাভ করা যায় । এর মাধ্যমে জিকির, কুরআন তেলাওয়াত ও তবারক বিতরণের মাধ্যমে সওয়াব অর্জন করা হয়।
কেউ ভক্তি সহকারে ১১ শরীফের আমল বা ফাতেহা খানি করলে অভাব দূর হয়, পরিবারে শান্তি বজায় থাকে, দুনিয়া ও আখেরাতের খায়ের ও বরকত লাভ করা যায় ।
১১ শরীফের এই দিনে খতমে গাউসিয়া, কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-না’ত, দো’আ-দুরুদ ও তবারক বিতরণের মাধ্যমে প্রচুর সওয়াব অর্জন করা ও হান অলি-আউলিয়াদের ওসিলায় আল্লাহর দরবারে দোয়া কবুলের আশা করা যায় ।
পবিত্র ১১ই শরীফ কেবল একটি প্রথা নয়, বরং এটি আমলে সালেহ বা নেককাজের একটি সুন্দর মাধ্যম, যা ঈমানি চেতনাকে জাগ্রত করে এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধির মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সহায়তা করে ।
খানকাহ শরীফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উক্ত পবিত্র মেহফিলে সকলে আদব ও ভক্তির সাথে শামিল হয়ে হায়াতুন্নবী (সা:), পাঞ্জাতনে পাক. ও খাস করে হুজুরে গাউসে পাকের খাস রেজামন্দি হাসিল করে নিজেদের জীবনকে ধন্য করার সুযোগ পাবেন।

“এলাহি বে-হুরমতে হযরত সাইয়্যেদ শেখ মহি উদ্দীন মুশকিল কুশা বিল খায়ের”। বকশিবাজার দরবার শরীফ শুধু একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্রই নয়, বরং সুফিবাদের আলোকে ইসলামি মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং আর্তমানবতার সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এ কারণে ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস এখানে বিশেষভাবে পালিত হয়।
শাহসূফী আল মোবারকী ক্বাদরী পরিচালিত খানকাহ্ ফকির জহুর আল ক্বাদরীতে প্রায় দীর্ঘ ৪ যুগের অধিক সময় ধরে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার বার দরূদ শরীফ ও খতমে খাঁজেগান এবং প্রতি আরবী মাসে চাঁন্দের ১১ তারিখ বাদে এশা এগারো শরীফের আমল, মিলাদ ও কেয়াম শরীফের বরকতী আমল, হামদ ও নাঁত শরীফ, শানে বেলায়াত, বুর্দায়ে বড়পীর আব্দুল কাদির জিলানী, কাসিদায়ে খাজা গারিবে নেওয়াজ ও আশিকী কালামের মজলিশ প্রচলন রয়েছে।
উল্লেখ্য, আধ্যাত্বিক ও মানবতার অনন্য মূর্ত প্রতীক ফকির শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী, পীর, বকসিবাজার, খানকাহ্ শরীফ একজন সুফি স্কলার, শিল্পোদোক্তা ও মানবতার সেবক। “কেবল সেবা নয়, মানুষকে দাও তোমার হৃদয় এবং নি:স্বার্থ প্রেম। হৃদয়হীন সেবা নয়, তারা চায় তোমার অন্তরের স্পর্শ এরকম প্রেমের উক্তি যাঁর মুখেই কেবল সিমাবদ্ধ নয় ; যিনি আর্তমানবতার সেবায় মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে নিজকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন এবং নিজের উপার্জিত অর্থে প্রায় ৪ যুগ ধরে আধ্যাতিক ও মানবসেবার খেদমতে নিয়োজিত, চার তরিকার অনন্য মার্কাজ, খানকাহ ফকির জহুর আল কাদরী-এর বর্তমান পীরসাহেব কেবলা, ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী হাফিজাহুল্লাহ। সারাবিশ্বের অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, সুফি স্কলার, শীর্ষ ব্যবসায়ী, দানবীর, ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার আল মোবারকী ক্বাদরী পীর কেবলা। তিনি সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা অবহেলিত, বঞ্চিত, অনাথ, তাদেরই বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচেছন এবং সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে গড়ে উঠেতে আর্থিক, মানুষিক ও আধ্যাতিক সব রকমের সহযোগিতা করে যাচেছন। মানবিক সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে কিছু মানুষ আছেন যাঁরা গড়ে উঠেন মানবিকতা পূর্ণ সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে এবং কাজ করে যান নীরবে নিভৃতে। এমনই একজন বিরল মহামানব ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী হাফিজাহুল্লাহ। আত্মপ্রচার নয়, আত্মতৃপ্তিই যাঁর মূল উদ্দেশ্য। মানবতার কল্যাণে নিজেকে কিভাবে বিলিয়ে দেয়া যায় তার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত তিনি। কখনও ছুটে যান মাদরাসার এতিমদের পাশে আবার কখনও কোন দরিদ্র মানুষের ঘরে, পথে প্রান্তরে। প্রতিদিন ভাল কাজের পাশাপাশি অসংখ্য মেহমানকে সাথে নিয়ে খানা খাওয়া যাঁর নিত্যদিনের অভ্যাস। মানুষকে ভালবাসা ও মেহমানদারী করা তাঁর পরম আনন্দ, মানুষের কল্যাণই তাঁর ব্রত। উনাকে বাংলার মানবতার পায়রা তথা শান্তির দূত বলে অভিহিত করা যেতে পারে। সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িয়ে জীবনে তৃপ্তি খোঁজেন দেশের শীর্ষ উদ্ভাবক ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, মানবতার ফেরিওয়ালা ফকীর শাহ্ সাঈদ আনওয়ার মোবারকী আল ক্বাদরী হাফিজাহুল্লাহ। শত কর্মব্যস্ততার পাশাপাশি নতুন-নতুন উদ্ভাবন করেও থেমে থাকেন নি তিনি। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ, ছিন্নমূল পথশিশু ও রাস্তায় থাকা মানুষের বাসস্থান ও খাবারের ব্যবস্থা করতে থাকেন এই বাংলার মানবিক পীর সাহেব কেবলা। বহু বছর ধরে তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ড ও মানবসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় ইতোমধ্যে তাঁর ঝুলিতে জমা হয়েছে স্বর্ণপদকসহ অসংখ্য সম্মাননা স্মারক। করোনাকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাস্ক হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড ওয়াশ, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণসহ ঘরে থাকা কর্মহীন মানুষ ও ভক্ত-মুরিদের জন্য প্রতিনিয়ত খাদ্য সরবরাহ করেছেন তিনি। ১ ঘন্টার জন্যও তাঁর খানকাহের মূল ফটক (মানুষের সমস্যা সমাধানে) বন্ধ করেন নি তিনি। ঢাকা আলীয়া মাদরাসা সংলগ্ন বকসিবাজার মোড়ে অবস্থিত ফকির শাহ্ সাঈদ আনওয়ার আল মোবারকী ক্বাদরী পরিচালিত খানকাহ্ ফকির জহুর আল ক্বাদরী।
পীর সাহেব কেবলা সেই দোয়া করেন যেন সকল মুরিদান নিজ নিজ সাধ্য অনুযায়ী অন্তরে মোহাব্বত, ইশক ও ভালোবাসা ভক্তি সহকারে এই পবিত্র মেহফিলে শরীক হওয়ার তৌফিক আল্লাহপাক সবাইকে এনায়েত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd