• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সাংবাদিকের গায়ে হাত? ধর্মতলা কাঁপিয়ে জবাব দিল সাংবাদিক সমাজ জগন্নাথপুরে প্রথমবারের মতো কৃষি ঋণ বিতরণ শুরু করলো সকল ব্যাংক জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চট্রগ্রামের কিডস্ ক্লাবের বড় সাফল্য কবিতাঃ জগৎ জিততে হবে ​মুক্তিযোদ্ধারা কাঁদলে বাংলাদেশও কাঁদবে: এমপি আমীর এজাজ খান জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির জরুরী সভা: ১০ আগস্টের মধ্যে ওয়ার্ড কমিটি জমার নির্দেশ তাহিরপুরে জমি বিরোধে মামলা করায় নারীসহ ৬ জনকে কুপিয়ে জখম রত্নগর্ভ পিতা-মাতাসহ সায়মাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন লোহাগাড়া ভবন মালিক এসোসিয়েশন বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন, প্রেমিক পলাতক, বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি জারিকারক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্যের প্রক্সি দিতে গিয়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড, শিক্ষক জুয়েল রানাকে নিয়ে প্রশ্ন

বটিয়াঘাটায় চাঁদাদাবি ও ঠিকাদার অপহরণের অভিযোগে ভান্ডারকোট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বাপ্পি মল্লিক সহ আটক- ০২

Reporter Name / ৩৫৮ Time View
Update : রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

স্টাফ রিপোর্টার:

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় এক ঠিকাদারকে অপহরণ করে আটকে রেখে পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও একজন অজ্ঞাতনামা আসামি পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বটিয়াঘাটা উপজেলার ৫নং ভান্ডারকোট ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ বাপ্পি মল্লিক (৩৫) এবং উত্তম কুমার দে (৩২)।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার সোনাতুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ঠিকাদার অলিয়ার রহমান (৫৩) গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে বটিয়াঘাটা উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামে একটি পাওয়ার প্লান্টে শ্রমিক সংগ্রহের উদ্দেশ্যে যান। এ সময় উত্তম কুমার দে তাকে চা খাওয়ানোর কথা বলে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। পরে সেখানে বাপ্পি মল্লিকসহ আরও কয়েকজন তাকে একটি ঘরের ভেতর আটকে রেখে মারধর করে।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা অলিয়ার রহমানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে তার ভাতিজাকে ফোন করে পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং টাকা না দিলে তাকে প্রাণে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর স্বজনরা ভান্ডারকোট পুলিশ ক্যাম্পে খবর দেন।
পুলিশ জানায়, পরে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে বটিয়াঘাটা উপজেলার ভান্ডারকোট এলাকার কালুকাটী খালের গোড়ায় বাপ্পি মল্লিকের দখলে থাকা একটি ঘেরের ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তার হাত-পা বেঁধে মুখে কস্টেপ লাগিয়ে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।
খবর পেয়ে ভান্ডারকোট পুলিশ ক্যাম্প ও বটিয়াঘাটা থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে প্রথমে উত্তম কুমার দেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১টার দিকে ঘেরবাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাপ্পি মল্লিককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং অপহৃত ঠিকাদার অলিয়ার রহমানকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় একজন আসামি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
অভিযানকালে পুলিশ একটি স্টিলের চাকু, রশি, কস্টেপ এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অলিয়ার রহমান বটিয়াঘাটা থানায় অপহরণ, চাঁদাবাজি ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, গ্রেপ্তারকৃত বাপ্পি মল্লিক ও তার সহযোগী উত্তম কুমার দে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসা, ঘের ও খাস জমি দখল, গরু-ছাগল চুরি, ভ্যান, সাইকেল ও মোটরসাইকেল চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকলেও এতদিন কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা এসব অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, তাদের কারণে ভান্ডারকোট ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্ক ও চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে বসবাস করছে।
এ বিষয়ে বটিয়াঘাটা থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd