• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৩ জনের কারাদণ্ড, ড্রেজার জব্দ সিংড়ায় যুবককে লাঠি-বাটাম দিয়ে পেটানোর অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ নেত্রকোণায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় উপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনুর্ধ্ব-২০) ২০২৬ অনুষ্ঠিত কাউনিয়া রেলবাজার ব্যাটারি চালিত পরিবহন সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ফিরোজ, সম্পাদক সিরাজুল নির্বাচিত আগামী মৌসুম থেকেই মিঠা পানিতে, মাছের অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হবে- কৃষি মৎস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রী একজন শিক্ষার্থী নীতি নৈতিকতায় সবার উর্দ্ধে যেন থাকে- জবি ভিসি ড. রইছ উদদীন বলাকা সাহিত্য চর্চা পরিষদের আয়োজনে সাহিত্য আড্ডা-কবিতা-গানেগানে “যমুনায় নৌভ্রমণ-২০২৬” উদযাপন নিয়ামতপুরে খাল খননের উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও নেত্রকোণায় জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে বিলীন চিলমারী-রৌমারী-কোদালকাটি, নদীপাড়ের মানুষের আহাজারি- প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস

Reporter Name / ২২ Time View
Update : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

মো. শাহরিয়ার, রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙনে ক্রমেই বিলীন হচ্ছে নদীতীরবর্তী জনপদ। নদীর করালগ্রাসে চিলমারী, রৌমারী ও চর রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি এলাকার বসতভিটা, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট হুমকির মুখে পড়েছে। নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানোর আতঙ্কে দিন কাটছে হাজারো মানুষের।

নদীভাঙনের ভয়াবহ পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

পরিদর্শনকালে নদীতীরবর্তী মানুষ তাদের দুর্ভোগের কথা প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন নতুন আতঙ্ক তৈরি করে। নদীর তীব্র স্রোতে একের পর এক ফসলি জমি ও বসতভিটা বিলীন হচ্ছে। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে জমি হারিয়েছে।

*”বাপ-দাদার ভিটা কেড়ে নিচ্ছে নদী”*
স্থানীয় এক বাসিন্দা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, _”নদী আমাদের শুধু জমি কেড়ে নিচ্ছে না, বাপ-দাদার ভিটাও কেড়ে নিচ্ছে। এই মাটির সঙ্গে আমাদের জীবন ও স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ভিটাটুকু হারালে আমাদের যাওয়ার জায়গা থাকবে না।”_

ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরও বহু পরিবারকে বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হবে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।

*জিও ব্যাগ ও মহাপরিকল্পনার দাবি*
স্থানীয়দের দাবি, নদীভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলতে হবে। একই সঙ্গে শুধু সাময়িক প্রতিরোধ নয়, ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন থেকে দীর্ঘমেয়াদে জনপদ রক্ষায় একটি কার্যকর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ নদীভাঙন মোকাবিলায় আরও মহাপরিকল্পনা গ্রহণের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “নদীভাঙন রোধে সরকার বেশ কয়েকটি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী জিও ব্যাগ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে নদীভাঙন থেকে মানুষের ঘরবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাসে নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, দ্রুত জিও ব্যাগ স্থাপন ও প্রতিরোধমূলক কাজ শুর প্রত্যাশা করছেন তারা।

চিলমারী, রৌমারী ও কোদালকাটির মানুষের এখন একটাই প্রত্যাশা—নদীভাঙনের কবল থেকে বাঁচুক তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও বাপ-দাদার ভিটেমাটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd