বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় সদস্য ও সিলেট বিভাগীয় সার্চ টিমের সদস্য তানভীর আহমেদ চৌধুরী।
ফেসবুকে ডাকসু নির্বাচন ও একজন প্রার্থীর প্রতি উচ্ছ্বাসমূলক মন্তব্য প্রকাশ করার পর তাঁকে সংগঠনের পক্ষ থেকে শোকজ নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
বিতর্কিত পোস্টের প্রেক্ষাপট
ডাকসু নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক পদের শিবির-সমর্থিত প্রার্থী ঝুমা–কে উদ্দেশ্য করে তানভীর আহমেদ চৌধুরী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লেখেন:
> “ডাকসু ৯ তারিখেই হচ্ছে এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ৯ নাম্বার ব্যালটই জিততেছে।
জুমা এইবার একটু ঘুমা, নিশ্চিত তোদের বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ।”
এই পোস্টে ডাকসু নির্বাচনে নিজ ছাত্র সংগঠনের প্রতিপক্ষকের প্রার্থীর পক্ষ অবলম্বন করে দেখা এবং সংগঠনের নিরপেক্ষতা রক্ষার শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে।
শোকজ নোটিশ
পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটি জরুরি বৈঠক ডেকে তানভীর আহমেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করে। তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে কেন তাকে সংগঠনবিরোধী আচরণের দায়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
সংগঠনের প্রতিক্রিয়া
সংগঠনের একজন সিনিয়র নেতা জানান:
> “গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ একটি মধ্যপন্থী আদর্শভিত্তিক, শৃঙ্খলাবদ্ধ সংগঠন। আমাদের প্রত্যেক সদস্যের দায়িত্ব নিরপেক্ষতা বজায় রাখা। ব্যক্তিগত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও তা যেন সংগঠনের নীতিমালার পরিপন্থী না হয়।”
“তানভীর আহমেদ চৌধুরী বলেন,
ডাকসু নির্বাচন স্থগিত করার জন্য বিএম ফাহমিদার মতো একজন প্রার্থী যখন পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তখন আমরা বুঝে যাই, এটা আর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয়, এটা বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তাই তার বিরোধিতা করে এই পোস্ট।
পূর্ব অভিযোগ
উল্লেখ্য, এর আগেও তানভীর আহমেদ চৌধুরী-র বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভে অংশগ্রহণ, ফজলুর রহমান বিরোধী স্লোগানে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে একাধিকবার মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
আমার ব্যাক্তিগত মতামত,
আমি এম.কে.জাকির হোসাইন বিপ্লবী।এই মর্মে গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় সদস্য ও সিলেট বিভাগীয় সার্চ টিমের সদস্য
তানভীর চৌধুরীর উপর দলীয়ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে,আমি সম্পূর্ণ তার পরিপন্থী। প্রতিটা ব্যক্তির মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে।সেই স্বাধীনতাকে জিম্মি করেছিলো স্বৈরাচার। এজন্যই তার পতন হয়েছে।জুলাই বিপ্লবের পরেও যদি দলীয় নীতি দিয়ে ব্যাক্তিগত মত প্রকাশকে কেও বাধা দিয়ে রাখতে চায়,সেটা যেকোনো দল হোক,অন্ততপক্ষে গণতান্ত্রিক ভাবে তা সম্পূর্ন ভূল নীতি।আমি সম্পূর্ণ তথ্য বিশ্লেষণ করে বোঝতে পারলাম,তানভীর চৌধুরীর মতো সবাই যেদিন হবে,সেদিনেই এদেশ সোনার দেশে রুপান্তরিত হবে।