• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বিশ্বনাথে নিষিদ্ধ আ’লীগ-ছাত্রলীগের ৭০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতা বকুলের মামলা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা সিংড়ায় মাছের পুকুরে বিষ, সর্বস্বান্ত চাষি কবিতাঃ তুমি তো চলেই যাবে তালামীযের রানীগঞ্জ ইউনিয়ন শাখা’র কাউন্সিল ও অভিষেক সম্পন্ন ৯ মাসের অনাথ শিশু থেকে বিএ পাস সমাজসেবক, মেম্বার পদে লড়ছেন হারাধন সার সংকটের সমাধান, কৃষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা-গ্রেফতার ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন দৈনিক ভয়েজ অব টাইগারের সাংবাদিকরা খুলনা আর্ট একাডেমি পরিদর্শন করেন পৌর বিএনপির সভাপতি আমিরুল বাহার কে সংবর্ধনা দিয়েছে এমপি মনজুরুল ইসলামসহ নেতাকর্মীরা ইবনে সিনা ন্যাচারাল মেডিসিনের উদ্যোগে খুলনায় এনজিকিউ এবং কায়রোক্যাপ প্রোডাক্টের সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ধুলো-শব্দে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, তবুও বন্ধ হচ্ছে না মঙ্গলকাটার অবৈধ স-মিল

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
প্রশাসনের ছাড়পত্র নেই, মোবাইল কোর্টের জরিমানা ও নিষেধাজ্ঞাও মানা হচ্ছে না। এরপরও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের মঙ্গলকাটা বাজারে দিব্যি চলছে আব্দুস সালামের লাইসেন্সবিহীন স-মিল। রাস্তার পাশে অবস্থিত এই মিলের ধুলো-শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীরা।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী মঙ্গলকাটা বাজারে বছরের পর বছর ধরে লাইসেন্স ছাড়াই করাত কল পরিচালনা করে আসছেন মঙ্গলকাটা গ্রামের মো. রফিক মিয়ার ছেলে আব্দুস সালাম। অনুমোদন না থাকায় গত ২৪ জুলাই সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদিত্য পালের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসময় বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে লাইসেন্সবিহীন করাত কলে কাঠ ছিঁড়ানোর অপরাধে মিল মালিক আব্দুস সালামকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। পাশাপাশি বৈধ কাগজপত্র সংগ্রহ না করা পর্যন্ত স-মিল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিন্তু মোবাইল কোর্টের নির্দেশনা মাত্র এক সপ্তাহ মানার পর গত আগস্ট মাস থেকে আবারও প্রশাসনের অনুমতি ও লাইসেন্স ছাড়াই পুরোদমে কাঠ ছিঁড়ানোর কাজ শুরু করেছেন মিল মালিক। সরেজমিনে দেখা যায়, মিলের চারপাশে শত শত মেহগনি, শিলকড়ই, আকাশীসহ বিভিন্ন প্রজাতির কাঠ স্তূপ করে রাখা আছে।

স্থানীয়রা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মিল মালিক আব্দুস সালামের সাথে চোরাকারবারিদের যোগসাজশ রয়েছে। অভিযোগ আছে, ভারতের মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে আনা কাঠ এই মিলে এনে ছিঁড়াই করা হয়। প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার কাঠ ছিঁড়াই হয় এখানে।

মিলটি রাস্তার পাশে হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। এলাকাবাসী জানান, সারাদিন মেশিনের বিকট শব্দ ও ধুলোবালির কারণে পড়াশোনা ও চলাচল দুটোই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মিল মালিক আব্দুস সালাম অবৈধভাবে মিল চালানোর কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মোবাইল কোর্টের পরও আমি কাঠ ছিঁড়ানোর কাজ করছি। সামনাসামনি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা আপনারা রিপোর্ট করেন আর বলেন মালিককে পাওয়া যায়নি। যা পারেন লিখেন আমার বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রিয়াজ উদ্দিন ডিআর জানান, উক্ত স-মিলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সত্যতা রয়েছে। আগামী তিন-চারদিনের মধ্যেই আমরা অভিযান পরিচালনা করে করাত কলটি সিজ করার ব্যবস্থা নেব।

একই বিষয়ে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি আদিত্য পাল বলেন, লাইসেন্স না থাকায় আমরা অর্থদণ্ড করেছিলাম এবং কাগজপত্র না করা পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বলেছিলাম। কিন্তু এরপরও অবৈধভাবে মিল চালানো হচ্ছে। খুব শীঘ্রই মিলের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এলাকাবাসী দ্রুত এই অবৈধ স-মিল বন্ধ করে পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার উপযোগী পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd