• রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নিয়ামতপুরে ৬ মাস পর কবর থেকে তোলা হলো সাজ্জাদের লাশ গোয়াইনঘাটে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের আনন্দ র‍্যালি ও পথসভা ধামইরহাটে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক লালমনিরহাটের বন্ধ স্থলবন্দর পূনরায় চালু করার লক্ষে মোগলহাট স্থলবন্দর পরিদর্শন বুড়িমারীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাজপথে এলাকাবাসী, ৪ দফা দাবি পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির বিশেষ অভিযানে ভারতীয় গরু আটক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টানা দ্বিতীয় মেয়াদে গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন, রিয়াজুল ইসলাম পাঁচবিবিতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ গাছের সঙ্গে প্রাইভেটকারের ভয়াবহ সংঘর্ষ: অল্পের জন্য প্রাণ রক্ষা পেলেন ৪ বন্ধু সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬: নারী ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন থানচি

নিয়ামতপুরে ৬ মাস পর কবর থেকে তোলা হলো সাজ্জাদের লাশ

Reporter Name / ১২ Time View
Update : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

এস এম রকিবুল হাসান
নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় দাফনের প্রায় ছয় মাস পর আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য সাজ্জাদ আলী (১৬) নামের এক কিশোরের লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। রবিবার (৪ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের কয়েস গ্রামে এ লাশ উত্তোলন করা হয়। নিহত সাজ্জাদ ওই গ্রামের রেজাউল হকের ছেলে।

লাশ উত্তোলনের সময় নিয়ামতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানার উপ-পরিদর্শক বেল্লাল হোসেনসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া জামে মসজিদের সামনে পাকা রাস্তার উপর একটি বিদ্যুৎতের পোলের উপর কাজ করা অবস্থায় সেফকার্ড ছিড়ে পড়ে গেলে সাজ্জাদ আলীর মৃত্যু হয়। পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদার শফিকুল ওই সময় নিহতের পরিবারকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন ও আশ্বস্ত করে পারিবারিক ভাবে সাজ্জাদ আলীর দাফন কাফন সম্পন্ন করেন।
পরে ওই ঘটনায় নিহত সাজ্জাদ আলীর মা আজিদা বিবি বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় গত ৫ সেপ্টেম্বর পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ছাত্রাজিতপুর গ্রামের মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে শফিকুল (৬৫) এর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যা মামলা নম্বর ১০।

নিহতের মা ও মামলার বাদী বলেন, আমার ছেলে ঠিকাদারের অবহেলায় মারা গেছে। আমার ছেলের কাজ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্বেও পোলের উঠার বেল্টসহ সকল সরঞ্জাম ছিলো দুর্বল। এ কারণে বিদ্যুৎতের পোলের উপর থেকে বেল্ট ছিড়ে নিচে পড়ে আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে।
আমি আসামির গ্রেপ্তার ও বিচার চাই।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজাউল করিম বলেন,
আদালতের নির্দেশে নিহত ব্যক্তির লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd