• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ধামইরহাটে ট্যাপন্ডাডল সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আজ আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস: প্রকৃতি রক্ষায় বিনিয়োগও শান্তির বিনিয়োগ নেত্রকোনায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে রেঞ্জ ডিআইজি জবি ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ কবিতা: দোষ দিবে কারে জননেতা খোকন চৌধুরীকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না- এসএম সাইমুন দুই বছর পর চালু হচ্ছে খুলনা-কলকাতা বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি যশোরে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতার তাগিদ পাঁচবিবি থানা পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল উদ্ধার বর্ণশিল্পী ধনঞ্জয় রায়ের শুভ জন্মদিনে খুলনা আর্ট একাডেমির আন্তরিক শুভেচ্ছা

আজ আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস: প্রকৃতি রক্ষায় বিনিয়োগও শান্তির বিনিয়োগ

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হারাধন সূত্রধর, পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:

আজ ২১ সেপ্টেম্বর, আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। জাতিসংঘ ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য—“শান্তিতে বিনিয়োগ: সবার জন্য, সর্বত্র, প্রতিদিন”। ২০২৬ সালের দিবসের মূল বার্তায় যুদ্ধ ও সংঘাতের অবসানের পাশাপাশি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের দৈনন্দিন জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সাধারণত শান্তির কথা উঠলেই যুদ্ধ, সশস্ত্র সংঘাত ও সহিংসতা বন্ধের বিষয়টি সামনে আসে। তবে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার সঙ্গে পরিবেশ ও প্রকৃতির সম্পর্কও গভীর। নদী-নালা দূষণ, বন উজাড়, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, বায়ুদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মানুষের নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ক্রমেই কঠিন করে তুলছে।
প্রকৃতি ও পরিবেশের ওপর বাড়তে থাকা চাপের কারণে নিরাপদ পানি, বিশুদ্ধ বাতাস, খাদ্য ও জীবিকার ওপরও নানা ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হলে মানুষ ও বন্যপ্রাণী উভয়ই ক্ষতির মুখে পড়ে। ফলে পরিবেশ সুরক্ষা কেবল প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ব নয়; এটি মানুষের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, জীবনযাত্রা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
জাতিসংঘের ২০২৬ সালের শান্তি দিবসের বার্তাতেও শান্তিকে শুধু যুদ্ধের অনুপস্থিতি হিসেবে না দেখে নিরাপত্তা, মর্যাদা, সুযোগ ও সহযোগিতার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, মানবাধিকার ও মানুষের অংশগ্রহণকে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার এই আহ্বানের সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি যুক্ত করা তাই সময়ের দাবি। নদী-খাল দূষণ বন্ধ, বন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বায়ুদূষণ কমানো এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনে অভ্যস্ত হওয়া—এসব উদ্যোগ মানুষের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।
আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসে তাই শান্তির জন্য বিনিয়োগের পাশাপাশি প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায়ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো জরুরি। ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্র—সব পর্যায়ে পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতাই হতে পারে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ার অন্যতম ভিত্তি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd