• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কামদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন হাফিজার রহমান হাফিজ উইনিপেগে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে বাবা-মেয়েকে উদ্ধার, দুই বাসিন্দা পেলেন Mayor’s Award of Valour লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন নিয়ে ওসি’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সিংড়ায় ‘আলাপন—নির্বাচনি এক্সপ্রেসে রাস্তাঘাট উন্নয়ন থেকে মাদক-জুয়া প্রতিরোধ— আরিফুলের পরিকল্পনা বেনাপোলে কাস্টমস, বন্দর ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বেনাপোল থেকে দুরপাল্লার আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার, দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়ার শঙ্কা মহান স্বাধীনতার ৫৫ বছর ও জাতীর অপূর্ণ প্রত্যাশা বিশ্বনাথে মাদ্রাসা ছাত্র আরিফ নিখোঁজ, থানায় জিডি Inception Workshop on Nutrition Smart Community Project Held in Netrokona সাঁথিয়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ৯৫ জনকে আসামী করে মামলা, ৬ জন গ্রেফতার

উইনিপেগে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে বাবা-মেয়েকে উদ্ধার, দুই বাসিন্দা পেলেন Mayor’s Award of Valour

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কানন জামান, উইনিপেগ, ম্যানিটোবা, কানাডা থেকে:

উইনিপেগে অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় দেওয়ায় দুইজনকে এ বছরের Mayor’s Award of Valour প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার সিটি হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন মেয়র স্কট গিলিংহাম। ২০১০ সালের পর এই প্রথমবার পুরস্কারটি প্রদান করা হলো।

গত গ্রীষ্মে রেড রিভারে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকা এক বাবা ও তার ছোট মেয়েকে জীবন বাজি রেখে উদ্ধার করেন জেসলিন মরিসেট। উদ্ধার কাজে সহায়তা করেন ব্র্যাডি সন্ডার্স।

শিশু ও বাবাকে বিপদে পড়তে দেখে মরিসেট কোনো দ্বিধা ছাড়াই পানিতে ঝাঁপ দেন। প্রথমে সন্ডার্সের সহায়তায় বাবাকে তীরে আনেন। এরপর অচেতন অবস্থায় থাকা শিশুটির কাছে সাঁতরে গিয়ে তাকে তীরে নিয়ে আসেন এবং সিপিআর দিয়ে জীবন ফিরিয়ে আনেন।

পুরস্কার গ্রহণের পর মরিসেট বলেন, “পানিতে ঝাঁপ দেওয়ার মুহূর্তে আমি অনেক কিছু ঝুঁকিতে ফেলেছিলাম। তখন ভাবিনি আমার ওপর কারা নির্ভর করে। কিন্তু সুযোগ পেলে আবারও করতাম।”

তিনি জানান, উদ্ধার করা পরিবারটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেনি, তবে তাদের সঙ্গে তার দেখা হয়েছে এবং যোগাযোগ রয়েছে।

মরিসেটের পরিবার সিটি হলে উপস্থিত ছিলেন। তার মা অ্যান মরিসেট আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “আমি তোমার জন্য খুব গর্বিত! এটাই আমাদের পরিচয়।”

মেয়র স্কট গিলিংহাম বলেন, “উইনিপেগের মানুষ এমনই, নিজের নিরাপত্তার কথা না ভেবে অন্যের বিপদে এগিয়ে আসে। এই সাহসিকতা আমাদের শহরের গর্ব।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd