• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ডিমলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ধনঞ্জয় রায়কে শুভেচ্ছা খুলনা আর্ট একাডেমির সিংগাইরে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে অবৈধ চায়না জালের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ত্রাণমন্ত্রী দুলু নিয়ামতপুরে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু আজকের জনকথা’য় সংবাদ প্রকাশের পর প্রক্সি দেওয়া শিক্ষক জুয়েল রানা সাময়িক বরখাস্ত সিংগাইরে অসহায় দু:স্থ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ সিংগাইরে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত গল্প: অট্টহাসির শবযাত্রা রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন মাসের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং

​খুলনায় মসজিদে গুলির ঘটনায় গ্রেফতার লিটন

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

​মোঃ মুনজুর আলম, স্টাফ রিপোর্টারঃ

খুলনার দৌলতপুর থানার আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর ‘মসজিদে ঢুকে গুলির’ মামলায় গ্রেফতারকৃত মো. লিটন ওরফে আজা লিটনকে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। তবে এই গ্রেফতারকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে নতুন বিতর্ক ও ধূম্রজাল। পুলিশের পক্ষ থেকে মামলায় সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতারের দাবি করা হলেও, লিটনের স্ত্রীর অভিযোগ খালিশপুর থানার এসআই পলাশের একটি ‘ফাঁস হওয়া ফোনালাপের’ জের ধরে প্রতিহিংসামূলকভাবে তার স্বামীকে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তবে পুলিশ এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
​রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরণ
​মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার এসআই জাকিরুল ফিরোজ আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছেন। আদালতে দাখিলকৃত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ জুন দৌলতপুর থানাধীন একটি মসজিদের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে লোকমান নামের এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে দুর্বৃত্তরা। এতে একজন গুলিবিদ্ধ ও গুরুতর আহত হন।
​মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং প্রাথমিক তদন্তে লিটনের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে জানান, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, অস্ত্র উদ্ধার এবং পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে লিটনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
​পূর্ব শত্রুতা ও ফাঁস হওয়া অডিওর জেরে হয়রানি’ স্ত্রীর দাবি ​এদিকে গ্রেফতারের পর তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন লিটনের স্ত্রী রেহেনা পারভীন। তার দাবি, তার স্বামী সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং তাকে পূর্ব শত্রুতার জেরে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে।​রেহেনা পারভীন গণমাধ্যমকে বলেন,​আমাদের পরিবারের সাথে ভুক্তভোগী লোকমানের কোনো ধরনের পূর্বশত্রুতা কিংবা জানাশোনাও নেই। আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। এর আগে খালিশপুর থানার এসআই পলাশের সাথে আমাদের একটি অডিও ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই পুলিশ আমাদের পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ এবং নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল। বর্তমান মামলাটিও সেই প্রতিহিংসারই ধারাবাহিকতা। উল্লেখ্য, এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাকিরুল ফিরোজ এবং এসআই পলাশ একই ব্যাচের কর্মকর্তা ​অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট: পুলিশ প্রশাসন
​পুলিশের বিরুদ্ধে আনা এমন গুরুতর অভিযোগের তীব্র বিরোধিতা করেছেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদুল ইসলাম। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পুলিশের ওপর আনা সমস্ত অভিযোগ কাল্পনিক এবং ভিত্তিহীন।​ওসি মুরাদুল ইসলাম বলেন,মামলার তদন্ত অত্যন্ত স্বচ্ছ ও পেশাদারত্বের সাথে চলছে। তদন্তে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ও সম্পৃক্ততা পাওয়ার পরেই কেবল লিটনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য কোনো থানার এসআই-এর ফোনালাপ ফাঁসের সাথে এই স্পর্শকাতর মামলার দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।”
​চলমান বিতর্ক ও তদন্তসাপেক্ষ বাস্তবতা
​উল্লেখ্য, পূর্বে এসআই পলাশের কথিত ফাঁস হওয়া ফোন রেকর্ডটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র শোরগোল সৃষ্টি হলেও, সেই রেকর্ডের সত্যতা কিংবা এ বিষয়ে কোনো বিভাগীয় তদন্তের ফলাফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। একইভাবে, পুলিশের বিরুদ্ধে রেহেনা পারভীনের আনা অভিযোগেরও স্বাধীন কোনো সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
​পুলিশের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি করা হচ্ছে, মামলার মেরিট ও বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতেই আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে, এই অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা এখন পুলিশি তদন্ত এবং আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd