• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
৭ দফা দাবি আদায়ে নওগাঁয় দলিল লেখকদের সমাবেশ যশোরের শার্শায় পাটের বাম্পার ফলন ও ভালো দামে খুশি চাষিরা লোহাগাড়ায় স্টুডেন্ট’স ওয়েলফেয়ার ক্লাব কতৃক বইপাঠ ও হিস্ট্রি অলিম্পিয়াড-২৬ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত আপন ভাইয়ের প্রতারণায় বাড়িছাড়া, রাস্তায় পড়ে ছিলেন অসুস্থ মহিদুল পাঁচবিবিতে মাদ্রাসার নতুন ভবনের ভিত্তিস্থাপন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল নিয়ামতপুরে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে ১ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ অংহ্লা পাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নিতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন নবনিযুক্ত থানচির শিক্ষা অফিসার গোয়াইনঘাটে ইউএনওর নেতৃত্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান কবিতা: রুখে দাঁড়াও নারী জাতি কবিতাঃ দেবী দুর্গার আগমন

নীলফামারীর ডিমলায় মাদ্রাসার কমিটি নিয়ে উত্তেজনা

Reporter Name / ৪৮৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সম্মিলিত বন্দরখড়িবাড়ী ও ছাতনাই বালাপাড়া দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা মাদরাসা প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী ও মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাতারাতি গোপন কৌশলে মাদরাসার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এমনকি মাদরাসার জমিদাতা পরিবারের সদস্যরা পর্যন্ত বিষয়টি জানতেন না। তারা বলেন, আমরা জানতে পারলাম হঠাৎ করেই আমাদের মাদরাসার কমিটি গঠিত হয়েছে। অথচ দাতাদের পরিবার, এলাকার শিক্ষানুরাগী মানুষ কিংবা সাধারণ অভিভাবক কেউই জানতেন না।নতুন কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে বালাপাড়া ইউনিয়নের সাবেক বিএনপি সভাপতি মো. হামিদুল ইসলামকে। বিষয়টি নিয়েই সবচেয়ে বেশি আপত্তি তুলেছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে এ কমিটি পক্ষপাতমূলকভাবে গঠন করা হয়েছে।
একজন বিক্ষোভকারী বলেন, মাদরাসা পরিচালনার জন্য নিরপেক্ষ ও যোগ্য মানুষ প্রয়োজন। রাজনৈতিক দলের সাবেক সভাপতি দিয়ে মাদরাসার মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালানো যাবে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসার সুপার আব্দুল মুনাইম প্রথমে দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল এবং তা মীমাংসা হয়ে গেছে। তবে আন্দোলনকারীরা তার বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে জানান, কোনো মীমাংসা হয়নি। সুপার সাহেবের কথা সত্য নয়। এখনো আন্দোলন চলছে, এবং আমরা এই কমিটি মানছি না।
শুধু কমিটি নয়, মাদরাসার সম্পত্তি নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। স্থানীয়রা জানান, মাদরাসার নামে ১২ থেকে ১৩বিঘা জমি রয়েছে। এসব জমি বিভিন্ন মানুষের কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই জমি থেকে আয়-ব্যয়ের কোনো সঠিক হিসাব পাওয়া যায় না। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, “মাদরাসার জমি থেকে আয় হয় লাখ লাখ টাকা। কিন্তু সেই টাকার কোনো জবাবদিহিতা নেই। সবকিছু চলছে অস্বচ্ছভাবে।এছাড়া মাদ্রাসা সুপার মোঃ আব্দুল মুনাইম আরও বলেন এলাকার মানুষ বেশিরভাগ জামায়াতের মানুষ তারা মানতে পারে নাই বি এনপি নেতাকে কমিটিতে রাখা তাই তারা আন্দোলন করছে,
এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, মাদরাসা পরিচালনায় সবসময় স্বচ্ছতা থাকা উচিত। অথচ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিএনপি নেতাকে সভাপতি করার ফলে মাদরাসার ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তারা বলেন, “আমরা চাই এই মাদরাসা যেন রাজনীতির কবলে না পড়ে। ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলাধুলা চলতে পারে না। এলাকাবাসি ও ছাএ ছাত্রী মানব বিক্ষোভ দাবিদ গুলো হলো

১/ রাতের আঁধারে পকেট কমিটি।
২/সকল জমি বন্দক(১২ বিঘা জমি) ও টাকা আত্মসাৎ।
৩/মাদ্রাসা বিভিন্ন পদে নিয়োগ ও টাকা আত্মসাৎ
৪/ মাদ্রাসার সকল গাছ বিক্রি ও টাকা আত্মসাৎ
৫/ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণ
৬/ নিয়মিত ক্লাস না হওয়া
৭/নিয়মিত শিক্ষকগণ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত না হওয়া।
৮/সুপারের পদত্যাগ চাই।
৯/ অভিভাবকদের ভোটের মধ্যেমে কমিটি নির্বাচিত করতে হবে।

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত বর্তমান কমিটি বাতিল করে নতুন করে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় পরিচালনা কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দাতা পরিবারের প্রতিনিধি শিক্ষানুরাগী মানুষ এবং স্থানীয় অভিভাবকদের মতামত নিয়েই নতুন কমিটি গঠন করতে। এলাকাবাসিও আন্দোলন কারিরা বলে।
আমাদের সন্তানের শিক্ষা নিয়ে ছেলেখেলা হতে দেব না। আমরা চাই দুনীতি মুক্ত, স্বচ্ছ কমিটি। না হলে আমাদের আন্দোলন চলবে।

এলাকাবাসী আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষ দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে দেখবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। তাদের মতে, এ ধরনের গোপনীয় সিদ্ধান্ত শুধু বিরোধ বাড়ায়, শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংস করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd