• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
পূর্বধলায় কেন্দ্রীয় মন্দিরের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা: পরিচিতি সভায় দায়িত্ব হস্তান্তর লোহাগাড়া স্টার সুপার মার্কেটে বিবি আনা শপের শুভ উদ্বোধন নরসিংদীতে একদিনে নানা ঘটনা: বাল্যবিবাহ বন্ধ, প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, হত্যা, মানববন্ধন ও সড়ক দুর্ঘটনা জগন্নাথপুরে ইউপি সদস্যকে জড়িয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফাকে গ্যাজেটভুক্ত ও মরণোত্তর রাষ্ট্রীয় সম্মানের দাবিতে শাহবাগে মানববন্ধন দোয়ারাবাজারে এক ভূমিহীনের দখলে থাকা সরকারী জায়গা প্রভাবশালীচক্র স্টাম্পের মাধ্যমে জোরপূর্বক দখল সড়ক নিরাপত্তায় বিশেষ অবদান রাখায় নিসচা বিশেষ সম্মাননা পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল তুহিন হত্যার এক বছরেও মেলেনি বিচার, অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠনের তীব্র দাবি পূর্বধলায় মসজিদে মাদক, জুয়া ও কিশোর গ্যাংবিরোধী সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত মাদকমুক্ত ও আধুনিক পূর্বধলা সদর ইউনিয়ন গড়ার অঙ্গীকার সাখাওয়াত হোসেন খাঁন পলাশের

বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফাকে গ্যাজেটভুক্ত ও মরণোত্তর রাষ্ট্রীয় সম্মানের দাবিতে শাহবাগে মানববন্ধন

Reporter Name / ১২ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

আয়াত উল্ল্যাহ, ঢাকা:

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার নাম মুক্তিযুদ্ধ গ্যাজেট বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাঁকে মরণোত্তর রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদানের দাবিতে আজ রাজধানীর শাহবাগে এক মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ৭ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা’ ব্যানারটির ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা ১৯৪৯ সালের ১০ই মার্চ বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার ওটরা ইউনিয়নের যোগীরকান্দা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম তোরাপ আলী হাওলাদার। গোলাম মোস্তফা ১৯৬২ সালে ভবানীপুর হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং শেখ বোরহানউদ্দিন কলেজ ঢাকা থেকে ১৯৬৮ সালে এইচএসসি পাস করেন। ১৯৬৯ইং সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি গ্রামের আরো কিছু তরুণ যুবককে সাথে নিয়ে যুদ্ধের প্রশিক্ষণের জন্য ভারতে যান। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হাসনাবাদ ট্রেনিং ক্যাম্পে ট্রেনিং নিয়ে ভারত বাংলাদেশে ৪ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এমএ জলিলের তত্ত্বাবধানে সশস্ত্র যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তখন স্থানীয় কমান্ডার ছিলেন ওবায়দুল সরদার। যুদ্ধ শেষে জেনারেল ওসমাণী তাঁকে একটি সনদ প্রদান করেন, সনদের নাম্বার ১১-০৮৫৯। এরপর ২০০২ইং সালে তিনি নিজেই গেজেটে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য একটি ফরম মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ কাউন্সিলে জমা দেন। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সেই কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। ২০০৪ইং সালের ১২ই ডিসেম্বর তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুর পর ২০১১ইং সালে আওয়ামী লীগ সরকার নতুন করে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধাদের নাম গেজেটভুক্ত করেন। গোলাম মোস্তফা জীবিত থাকাকালীন সময়ে বিএনপির একজন নেতা ছিলেন, ছিলেন ইউনিয়ন সভাপতি এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তাঁর ইউপি চেয়ারম্যানের নাম এবং এমনকি ইউপি তালুকার রাজনৈতিক ইতিহাস থাকার কারণে গোলাম মোস্তফার নামটি তাঁরা গেজেটভুক্ত হওয়ার জন্য সুপারিশ করেননি। গত ১৬ বছরে অনেকে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। বর্তমান সরকারও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাদ দিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কোন প্রকার লিখিত বক্তব্য বা পরিকল্পনা গ্রহণ করেননি। তাই আমরা মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার নাম গেজেটে অন্তর্ভুক্ত এবং মরণোত্তর তাঁর রাষ্ট্রীয় সম্মান গার্ড অব অনার প্রদান করার অনুরোধ জানিয়ে আমাদের এই মানববন্ধন এবং অবস্থান কর্মসূচি করছি।
মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন। অথচ স্বাধীনতার এত বছর পরও তাঁর নাম সরকারি গ্যাজেট বইয়ে অন্তর্ভুক্ত না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিকের অবদানের অবমূল্যায়ন।
বক্তারা অনতিবিলম্বে সকল নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে গোলাম মোস্তফার নাম গ্যাজেটভুক্ত করার এবং তাঁকে মরণোত্তর রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়ার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি জোর দাবি জানান। কর্মসূচিতে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, পরিবারের সদস্য এবং সংহতি প্রকাশকারী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd