• রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বেনাপোলে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল ছাত্রদলের মিছিল মদিনা প্রবাসী আলহাজ্ব আবু বক্কর কে “বীর রেমিট্যান্স যোদ্ধা” হিসেবে সম্মাননা প্রদান করল সোনালী লাইফ বিশ্বনাথে এলাকাবাসীর সঙ্গে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর মতবিনিময় জিয়াউরকে সভাপতি ও রেদুয়ানকে সাধারন সম্পাদক করে শান্তিগঞ্জ হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটি গঠন পর্যটন শিল্পের বিকাশের অন্তরায় রোহিঙ্গা: সংকট উত্তরণে চাই কার্যকর উদ্যোগ জগন্নাথপুরে পুস্তক ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন গোয়াইনঘাটে পুসাগের গণিত অলিম্পিয়াড ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত সিংগাইরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত মান্দায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১২ বছরের ভালোবাসায় মানুষের পাশে ‘স্টুডেন্টস কেয়ার জগন্নাথপুর’

সবুজ প্রকৃতির মাঝে বন্ধুদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ “চা ওয়ালার সাথে গল্প”

Reporter Name / ৩৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

পড়ালেখার পাশাপাশি মোবাইল আর আড্ডায় সময় নষ্ট না করে ৮’বন্ধু মিলে গড়ে তুলেছেন ব্যতিক্রমী এক চায়ের দোকান। দোকানের নাম দিয়েছেন “চা ওয়ালার সাথে গল্প”। জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বেড়াখাই-কলন্দপুর ব্রিজের পাশে সবুজ প্রকৃতির মাঝে মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে এই দোকানটি।

বন্ধু রিফাত, সোহাগ, মাহফুজ, নীরব সহ ৮ বন্ধুর এই উদ্যোগ এখন এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তাদের দোকানে ভোজন রসিকরা খোশগল্পে মেতে উঠছেন আর উপভোগ করছেন নানা স্বাদের চা ও মুখরোচক খাবার। তাদের মেন্যুতে রয়েছে মালাই চা, বাদাম চা, পোড়া রুটি, ফুচকা, হালিম, চটপটি, সিক কাবাব সহ নানান পদের বাহারী খাবার। দাম নাগালের মধ্যে রাখায় ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে বলে জানান ৮’ বন্ধু উদ্যোক্তারা।

বন্ধুরা জানান, বর্তমানে প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতি, শুক্রবার ও শনিবার দুপুরের পর থেকে তাদের দোকান খোলা হয়। তবে ভ্রমণ পিপাসুদের চাহিদা বাড়ায় শিগগিরই প্রতিদিন দোকান চালু রাখার পরিকল্পনা আছে তাদের।

সরেজমিনে শুক্রবার বিকেলে দেখা যায়, শত শত নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর ভ্যান, রিক্সা, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকে করে কলন্দপুর ব্রিজ এলাকায় ভিড় করেছেন। কেউ চা পান করছেন, কেউ পরিবার নিয়ে খাবার খাচ্ছেন। তাদের এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে আশপাশে আরও বেশ কয়েকটি খাবারের দোকান বসেছে। শিশুদের বিনোদনের জন্য এসেছে নাগরদোলাও।

ঘুরতে আসা কয়েকজন দর্শনার্থী বলেন, “আমাদের এই এলাকায় বিনোদনের তেমন কোন কেন্দ্র নেই। কাজ শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এমন সবুজে ঘেরা মনোরম পরিবেশে এসে খুব ভালো লাগছে। যে বন্ধুরা এমন উদ্যোগ নিয়েছে তাদের সাধুবাদ দেন।

উদ্যোক্তা বন্ধুদের একজন রিফাত বলেন, “আমরা সবাই স্কুল-কলেজে পড়ালেখা করি। অবসর সময়ে মোবাইল এবং মাদকের পিছে না ছুটে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। বেচাকেনা বেশ ভালো হচ্ছে, আমাদেরও খুব ভালো লাগছে। সকলের সহযোগিতা পেলে আমরা এই যাত্রা আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd