• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মুদি দোকানের আড়ালে মাদক ব্যবসা ৩০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ পূর্বধলায় শিশুশ্রম, ঝরে পড়া ও অপুষ্টি রোধে মতবিনিময় সভা বীরগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সিংগাইরে পৃথক অভিযানে মোবাইল কোর্টে মাদকসেবীর কারাদন্ড, দুই কারখানা বন্ধ স্রোতিজাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে সিংড়ায় প্রশাসনের অভিযান লোহাগাড়ায় দৈনিক দিনকাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত গোয়াইনঘাটে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন কোওর বাজার উচ্চ বিদ্যালয় নিখোঁজের ৭ মাস পর সীরতুন্নবী সাঃ মাহফিলে মিলল রায়হানকে রাণীশংকৈলে মাদক বিরোধী অভিযানে ২৬০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ শিক্ষকতা ও সাহিত্যচর্চায় অবদানের স্বীকৃতি, ‘ভাঙড় রত্ন’ সম্মাননা পেলেন মহম্মদ মফিজুল ইসলাম

​বিলডাকাতিয়ায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে হামকুড়া নদী খনন ও টিআরএম চালুর দাবিতে ডুমুরিয়ায় বিশাল মানববন্ধন

Reporter Name / ৬৯ Time View
Update : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

মোঃ মুনজুর আলম, স্টাফ রিপোর্টার:

খুলনার বিলডাকাতিয়া ও সংলগ্ন অঞ্চলের দীর্ঘদিনের ভয়াবহ জলাবদ্ধতা নিরসনে হামকুড়া-ভদ্রা নদী পুনঃখনন এবং বিল শিংগা, মধুগ্রাম ও মাধবকাটি বিলে জোয়ার-ভাটা বা টিআরএম (Tidal River Management) প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
​শনিবার (২৫ জুলাই) বিকাল ৫টায় ডুমুরিয়া উপজেলা পানি কমিটির উদ্যোগে উপজেলার ঐতিহাসিক হামকুড়া ব্রিজের ওপর এ প্রতিবাদী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংহতি জানিয়ে এলাকার শত শত ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
​ডুমুরিয়া উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ সেলিম আক্তার স্বপনের সভাপতিত্বে ও পানি কমিটির সদস্য শেখ মোশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক জি এম আমানুল্লাহ।
​মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পলি জমে হামকুড়া ও ভদ্রা নদী আজ প্রায় মৃত। ফলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ রুদ্ধ হয়ে বিলডাকাতিয়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকার হাজার হাজার একর ফসলি জমি ও বসতবাড়ি বছরের পর বছর পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। এতে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে চরম মানববেতর জীবনযাপন করছেন।
​বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, অবিলম্বে হামকুড়া-ভদ্রা নদী বৈজ্ঞানিক উপায়ে খনন করতে হবে এবং বিল শিংগা, মধুগ্রাম ও মাধবকাটি বিলে টিআরএম চালু করতে হবে। প্রকৃতির নিয়ম মেনে জোয়ার-ভাটা চালু না করলে এ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা কখনোই স্থায়ীভাবে দূর হবে না।
​প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জি এম আমানুল্লাহ বলেন,শুধু নামকাওয়াস্তে নদী খনন করলে কোনো লাভ হবে না। পলি ব্যবস্থাপনার জন্য টিআরএম বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। টিআরএম চালুর মাধ্যমে বিলে পলি ভরাট হবে এবং নদী তার স্বাভাবিক নাব্য ফিরে পাবে। ডুমুরিয়াবাসীর পিঠ আজ দেওয়ালে ঠেকে গেছে; আমাদের দাবি দ্রুত পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।
​পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ সেলিম আক্তার স্বপন বলেন, হামকুড়া নদী মৃতপ্রায় হওয়ায় পলি জমে চ্যানেল বন্ধ হয়ে গেছে। অবিলম্বে নদী খনন ও টিআরএম চালু না করা হলে আগামী বর্ষায় গোটা ডুমুরিয়া পানির নিচে তলিয়ে যাবে। আমরা এ বিষয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
​কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ডুমুরিয়া উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি শাহজাহান জোয়াদ্দার, ‘উত্তরণ’-এর প্রতিনিধি ও তালা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান, হামকুড়া বিল কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন চৌধুরী, শিংগা বিল কমিটির সভাপতি শেখ শাহিনুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুর রাজ্জাক ও আব্দুর রব আকুঞ্জিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
​বক্তারা বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে এ অঞ্চলের কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ইটভাটা শিল্পসহ সব অর্থনৈতিক কার্যক্রম আজ স্থবির হয়ে পড়েছে। ডুমুরিয়ার বুক থেকে স্থায়ীভাবে জলজট দূর করতে দ্রুত বাজেট বরাদ্দ দিয়ে নদী খনন ও টিআরএম বাস্তবায়ন করা না হলে আগামীতে মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর গণআন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd