• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বর্ণমালা হ্যান্ডরাইটিং একাডেমির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও গুণীজন সংবর্ধনা–২০২৬ অনুষ্ঠিত শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজে সাহিত্যচর্চা ও বইপাঠের প্রাণবন্ত আয়োজন রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর: নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে ডিআইজি ও পুলিশ সুপার খুলনার কয়রায় ১৪৫ কেজি হরিণের মাংস জব্দ লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও গার্ড অব অনারে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত নবাগত এসিল্যান্ডের সাথে সিংগাইর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মোর নাম এই নামে হোক, আমি তোমাদেরই লোক’—ঠাকুরগাঁওয়ে আবেগে রাষ্ট্রপতি ​নারায়ণগঞ্জে ট্রাফিক পরিদর্শক আব্দুল করিমের বিদায় ও জিয়াউদ্দীনের যোগদান শিশু শিল্পীদের নিয়ে মোমবাতি প্রজ্জলন এর মাধ্যমে খুলনা আর্ট একাডেমির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নিয়ামতপুরে স্কুলের অফিসে ভেঙ্গে পড়ল ফ্যান, দুই শিক্ষিকা আহত

Reporter Name / ৩৬৫ Time View
Update : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

 

এস এম রকিবুল হাসান
নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর নিয়ামতপুর বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে মোসলেমা খাতুন (৩০) ও রশিদা পারভীন (৪৬) নামের দুই শিক্ষিকা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শিক্ষকদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। দুই শিক্ষিকা বর্তমানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ বাড়িতে বিশ্রামে রয়েছেন।
ঘটনাটি আজ বুধবার দুপুরে  উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে।
স্কুল সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের একতলা ভবনটি ১৯৯৭-১৯৯৮ অর্থবছরে স্হানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অধীনে নির্মিত হয়। বর্তমানে ভবনটি ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী। বারবার নতুন ভবনের চাহিদা দিলেও এখন পর্যন্ত পর্যন্ত আশার আলো দেখেনি প্রতিষ্ঠানটি।
আহত শিক্ষিকা মোসলেমা খাতুন বলেন, অফিস কক্ষে শিক্ষকরা পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দ করে ফ্যানটি পলেস্তারা আমার শরীরের ওপর পড়ে। এতে আমিসহ রশিদা ম্যাডাম আহত হয়। আমাদের মাঝে এক ধরনের আতংক বিরাজ করছে।

প্রধান শিক্ষক মাহেদুর রহমান বলেন, ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক দিন থেকেই ভবনটির বিষয়ে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে সরেজমিনেও দেখানো হয়েছে। আশ্বাস ছাড়া কোন কিছুই জোটেনি এখন পর্যন্ত।
তিনি বলেন, স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রণি পর্যন্ত ১২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে । বর্তমানে ভবনটির জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে, যেকোন সময় বড় দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে।  ছাদের বিভিন্ন জায়গায় সামান্য বৃষ্টি দেয়াল ও ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (দায়িত্বরত) আব্দুল হান্নান বলেন, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনটি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন ভবনের চাহিদাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন তালিকায় তাদের নাম না আসায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ মুর্শিদা খাতুন বলেন, বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো ও কার্যকর ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd