• সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ডোমারে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে প্রকৌশলী শাহরীন ইসলাম তুহিনের মতবিনিময় সভা সৈয়দপুরে উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীর সংগঠন এসপিজিআরসির ১৮তম কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত ছোটখাতা মাদ্রাসা মাঠে ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুরে রাণীগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষের অব্যাহতি, নতুন অধ্যক্ষ আবু খালেদ ডোমারে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সবুজায়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মাগুরা-ঝিনাইদহে গণপূর্ত সচিবের বৃক্ষরোপণ শীঘ্রই প্রাথমিক শিক্ষার নতুন রূপরেখা দৃশ্যমান হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ পূর্বধলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ করলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল্লাহ হারুন কটিয়াদীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জন নিহত ও ৪ জন আহত

পদ্মার তীব্র ভাঙনে গোদাগাড়ী কুঠিপাড়ায় ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্ক বাঁধ নির্মাণের আকুল দাবি

Reporter Name / ৪২ Time View
Update : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬


‎​মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল, গোদাগাড়ী (রাজশাহী)

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কুঠিপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। হঠাৎ পানি বৃদ্ধি ও তীব্র ভাঙনে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন নদী তীরবর্তী কয়েকশ পরিবারের বাসিন্দারা।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে হঠাৎ করেই পদ্মার পানি বাড়তে শুরু করে এবং তীব্র নদীর স্রোতে পাড়ে বড় বড় ধস নামে। ভিটেমাটি নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়া এবং ঘরে পানি ওঠার আশঙ্কায় পুরো কুঠিপাড়া এলাকার মানুষ সারারাত জেগে আতঙ্কে রাত পার করেন।
​ভাঙনকবলিত এলাকার অধিবাসীদের অভিযোগ, টেকসই নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ না থাকার কারণেই প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে তাদের এভাবে জীবন ও সম্পত্তি হারানোর ভয়ে থাকতে হয়। এলাকার এক প্রবীণ বাসিন্দা জানান, প্রায় ১৯৯৬ সালের দিকে এখানে শেষবারের মতো বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রয়াত সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক এই বাঁধ সংস্কার ও সংরক্ষণে কিছু কাজ করেছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও নদী তীরবর্তী মানুষের সুরক্ষায় কিংবা বাঁধ সংস্কারে আর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

​ঘটনার পর থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ। এলাকাটির বিএনপি নেতা নূর আলম ইসলাম বলেন, গতকাল রাতের এই আকস্মিক ভাঙনে পুরো কুঠিপাড়ার সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান বা কার্যকর ভূমিকা দেখতে পাইনি। দীর্ঘদিন ধরে বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা দ্রুততম সময়ে নদীর তীর রক্ষায় বাঁধ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।
​কুঠিপাড়ার বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা পাওয়া তাদের মৌলিক অধিকার। প্রতি বছর কেন তাদের নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাতে হবে এমন প্রশ্ন তুলে তারা অনতিবিলম্বে পদ্মার তীর রক্ষায় স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd