কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
জীবন রঙ্গমঞ্চে ভালোবাসার হয় অভিনয়
হতচেতন ছিলাম আমি, নিজেকে ভেবেছি তুমি ময়!
যত আঘাত হেনেছো, দিয়েছো ব্যথা, ঝরেছে অশ্রু হয়ে
আজ ও মধুমতীর স্রোতস্বিনী জল হয়ে, অশ্রু যায় বয়ে !
পবিত্র ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে কেমনে তোমায় বসাই
প্রেম প্রীতি প্রণয় দু’টি দেহ একটা হৃদয়, কেমনে হয় কসাই?
তোমার আমার প্রথম দেখায় নিলাম টেনে বুকে
চিন্তন দিয়েছিলো সাড়া, জীবন ভর থাকবো মোরা সুখে!
পুষ্পশরে কীটের বাস, হয়তো প্রবাদ ছিলো
সেই প্রবাদ নিজ পুরঁজনে বাসা বেঁধে গেলো!
ভালোবাসার ঘেরাটোপে, বাঁধা পড়া দু’টি মন
অবিশ্বাস অবহেলা একে অপরে, করতে পারে কোন ক্ষণ?
লাবন্য কে ঠকিয়েছেন জীবনানন্দ, মৃণালী কে “রবি”
আমি তো ঠকাইনি ততটুকু তোমায়, আমি সাম্যের কবি,
কলমির গন্ধে ভরা টুঙ্গিপাড়া বিলে সাঁতরায়, কষ্টের কবিতা লিখি
মধুমতী বলেশ্বর, বাংলার চিরসবুজ ধান গম সরিষা ক্ষেত দেখে শিখি!
কিছুইনা আমার বিরহের উর্মিমালার সুউচ্চে, কোন অভিনয়
গাঢ় রক্ত কণিকা জল করেছে তোমার হেমলক প্রণয়,
সারাজীবনে দিলাম যাহা, পেলাম না তার আধা
ভুল, নিরপেক্ষ বিধাতার , করেছেন প্রেমিক দ্বয়ের, একজন কে গাধা!
সে বয়সের পাগলাটে মন, কাকে পরায়, ভালোবাসার মুকুট
বিনিদ্র রজনী লিখে যায় অগুনিত শতসহস্র চিরকুট!
মনের মন্দিরে বসায় যাকে রঙিন চশমায় দেখে
মুকুট শুধু পড়ে থাকে জীবন পথে, ক্লেদ ধূলি মেখে!
একাকীত্ব অবহেলার সে জীবনে, থাকে না ফেরার পথ
অঙ্গ সৌরভে মাখলাম যারে, চড়লাম যার রথ !
কৃত প্রতিশ্রুতি লিখবে নাম বুকের অন্তঃস্হলে
নিভৃতে যতনে সেথা না লিখে মুছে দেয় শেষ কালে!