বাংলার গীত
বকের ঝাঁক উড়ছে সারি সারি,
নীল গগন, সবুজ মাঠ,
বাংলার রূপ উঠেছে ভরে,
উদিত সূর্যে স্বর্ণের হাসি,
প্রকাশিত বাংলা সোনার বর্ণে,
আঁকাবাঁকা পথ যায় সুদূরে,
শাওলা, করমী, পদ্মফুলে, জলে,
ধুতরা ফুল (মাইক ফুল) ফোটে মাঠে,
সারি সারি গাছ পথে প্রান্তর,
বাঁশির সুর বাজে বসন্তের ডাকে,
বাংলার রূপ বর্ণিব কেমনে,
শত শত নদী বইয়ে চলে সাগরে,
ভালোবাসায় ভরপুর, বাংলার মানুষের মনে,
গ্রামের দৃশ্য অতি মনোরম,
নানা রঙের পাখিরা করে খেলা,
মেলে বোন, ঘাস বন, চাঁদা কাটাই হলুদ ফুলে।
নৌকা বয় এপার ওপারে,
সরিষা ক্ষেত হলুদে, সূর্যমুখী,
কলাই, মটরশুঁটি মুশুরি ফুলে,
অঢ়হর ফুলে চারিধারে,
সারিসারি তাল, সুপারি, নারিকেল,
ফুলে, ফলে, গাছে, ভরা সবুজ মাঠে,
চাঁদের হাসি ঝরে রাতের আকাশে,
তারা রাত জেগে থাকে আকাশের গায়ে,
দু নয়ন জুড়ায়, আঁখি ভরে আনন্দে।
সৃষ্টি পূজিবে আমাদের প্রেম
হারায় তোমারই চিরতরে,
না পারি বাঁধিতে অন্তর ডোরে,
করুন হৃদয় করে আর্তনাদ,
প্রেমের বাঁধনে রাখিতে নারে,
ধরিতে না পারি তোমায়।
কত যে ভালবাসি তোমায়,
চিরতরে রাখিবো বাঁধিয়া,
মনের গভীরে পুজিতা,
চির সুন্দর হৈমবতী কন্যা।
তোমার আমার পথচলা,
অনন্ত কোটি সম দৃঢ় প্রত্যায়,
ত্যাগীলে জীবন, তোমারই প্রতীক্ষায়
কাটাবো অনন্তকাল।
চির সমাধিস্থ হিমালয় গহ্বব্বরে,
লক্ষ্যে পৌঁছাব অন্তরে পুজিব সাদা,
তোমার আমার মিলন হইবে,
সৃষ্টি পূজীবে, চির অক্ষত হবে প্রেম।
চুপি চুপি এলে তুমি
তোমার চাহনিতে হার মানে চাঁদ,
বারান্দায় দাঁড়িয়ে, মায়াবী চাঁদের,
জোছনায় হারিয়েছে মন।
ঝিকিমিকি তারা, অন্ধকারের নীরবতা,
চেয়ে আছি দিগন্তের সীমানায়।
লাল পলাশের ফাঁকে চাঁদ দেয় উঁকি।
তুমি নেই পাশে অনুভবে আছো দাঁড়িয়ে।
স্বপ্নের দেশে চলি ওইখানে,
যেথায় মায়াবী চাঁদ স্বপ্ন দেখায়,
তোমায় আমায়।
মায়াবী অন্ধকারে খুঁজি তোমায়।
আছো তুমি কত দূরে।
মন যে আজ বাঁধনহারা।
নদীর জলে বৈঠার শব্দে,
চমকিত মন, খোঁজে সারাক্ষণ,
ওই বুঝি এলে দ্বারে।
চুপি চুপি কখন এলে যে জীবনে,
জানতে পারিনি তা আগে।
খুকুর পুতুল বিয়ে
ছোট্ট খুকু বোনটি আমার,
দুষ্টু নয় সে মোটে,
লক্ষ্মী সোনা বলে লোকে,
রুনু ঝুনু হাঁটে,
সবার ছোট বোনটি আমার,
নেই কোনো তার বায়না,
নিয়ে যাব চাঁদের দেশে,
চাঁদ বলছে আয়না।
টিয়া পাখি বায়না করে।
নিয়ে যাবে বনে,
বুলবুল পাখি গান ধরেছে,
খুকু শুনবে বলে।
ঢাক ঢোল বাজায় সবাই,
খুকুর পুতুল বিয়ে,
বরযাত্রী যাবে সবাই,
ময়ূরপঙ্খী নিয়ে।