• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিংগাইরে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে অবৈধ চায়না জালের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ত্রাণমন্ত্রী দুলু নিয়ামতপুরে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু আজকের জনকথা’য় সংবাদ প্রকাশের পর প্রক্সি দেওয়া শিক্ষক জুয়েল রানা সাময়িক বরখাস্ত সিংগাইরে অসহায় দু:স্থ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ সিংগাইরে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত গল্প: অট্টহাসির শবযাত্রা রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন মাসের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং আমেরিকান প্রবাসী আনছারুল ইসলামের ফেইসবুক পোষ্ট নিয়ে বিব্রত উত্তরবঙ্গবাসী তুমি দেবে কি ভালোবাসা নাকি পোড়া ক্ষত?

খুলনায় মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

Reporter Name / ৮৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

নাজমুল তারেক তুষার, খুলনা

খুলনায় এক নারীকে দলবদ্ধ
ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার নগরীর মোল্লাবাড়ির সামনে নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক ও তাঁর সহযোগী পলাতক রয়েছেন।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ জানান, ধর্ষণের শিকার হওয়া নারী এক কন্যা সন্তানের জননী। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বন্ধু সায়মনের সঙ্গে ভিকটিম নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে বন্ধুর কাছে পাওনা ৪ হাজার টাকা দাবি করেন। বন্ধুর কথিত চাচা পঙ্কজ শিকদারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দেবেন বলে ওই বন্ধু ভবনের চিলেকোঠায় নিয়ে যান তাঁকে। পরে ভিকটিমকে সেখানে রেখে সায়মন নিচে চলে যান। এরপর রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শাহীন ও বন্ধুর কথিক চাচা পঙ্কজ শিকদার ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

অনিমেষ আরও জানান, ধর্ষণ শেষে ওই নারীকে গেটের ভেতরে তালাবদ্ধ রেখে ওই দু’জন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। নারীর কাছে থাকা মোবাইল দিয়ে স্বামীকে বিষয়টি জানালে থানায় এসে পুলিশকে জানান।

পুলিশ ওই নারীর সন্ধানে সোনাডাঙ্গা থানাধীন মোল্লাবাড়ির সামনে নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের সামনে যায়। নিরাময় কেন্দ্রের মূল ফটক তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে।

অনিমেষ জানান, ধর্ষণের শিকার নারীকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরে তাঁকে স্বামীর হেফাজতে দেওয়া হয়।

জানতে চাইলে সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলায় তিনজনকে আসামি করা হবে। তাঁদের কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
সোমবার রাতে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন অফিস সহায়ক ছাড়া ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তা অফিসে উপস্থিত ছিলেন না।

খুলনা বিভাগীয় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রণের সিনিয়র উপ-পরিচালক মলয় ভুষণ চক্রবর্তীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনা সম্পর্কে জানতে উপস্থিত হন নিরাময় কেন্দ্রে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd