মোঃ আবু সাঈদ, স্টাফ রিপোর্টার
বটিয়াঘাটা উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার এবং নবীনগরের একটি মাছের ফিড মিল থেকে তিনটি মোটর ও দুটি স্কেল চুরির ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে উল্টো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন বটিয়াঘাটা উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আজমল হোসেন লিটন। চোর চক্রের স্বীকারোক্তি ও উদ্ধারকৃত মালামালের ভিত্তিতে এলাকাবাসী সোচ্চার হলেও, ক্ষমতার অপব্যবহারকারী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের চিহ্নিত চক্রটি যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ঘটনাক্রম ও সত্যতা বিশ্লেষণ:
সম্প্রতি শান্তিনগর এলাকায় পর পর কয়েকটি চুরির ঘটনার পর অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে চোর চক্রকে হাতেনাতে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত দুই চোর চুরির সত্যতা স্বীকার করে এবং পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারসহ চুরি করা সরঞ্জাম কোন ঘরে লুকানো আছে তা নিজ মুখে জানিয়ে দেয়। এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালিয়ে চুরির সমস্ত মালামাল উদ্ধার করে।
পরবর্তীতে চোরদের দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আরও জানা যায়, এই চুরি চক্রের মূল নেপথ্য কারিগর ১ নং জালমা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা লিয়াকত বয়াতীর ছোট ভাই সোহাগ এবং তার ভাগ্নে, বটিয়াঘাটা ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, সোহাগ ওই এলাকার চিহ্নিত চোর চক্রের মূল হোতা এবং তার কারণে সাধারণ মানুষ সার্বক্ষণিক আতঙ্কে দিন কাটায়। আর এই অপকর্মের মূল শেল্টারদাতা হিসেবে কাজ করে আসছে তার ভাগ্নে ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী।
সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে ষড়যন্ত্র:
চোরদের তথ্যের ভিত্তিতে এলাকাবাসী যখন সোহাগ ও মেহেদীকে খোঁজার উদ্দেশ্যে তাদের বাড়িতে যায়, সেই সময়কার সিসিটিভি ফুটেজকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিকৃত করে যুবদল নেতা আজমল হোসেন লিটনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করা হয়েছে। যুবদল নেতা লিটন সবসময় যেকোনো অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায়, নিজেদের অপরাধ ঢাকতে এই কুচক্রী মহলটি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা সংবাদ ও ভিডিও ছড়াচ্ছে।
এলাকাবাসীর বক্তব্য ও তীব্র নিন্দা:
এলাকাবাসী ও স্থানীয় সচেতন মহল এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, মো. আজমল হোসেন লিটন একজন নীতিবান ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেননি এবং নিজেও কোনো অন্যায়ের সাথে যুক্ত নন। একটি চোর চক্রকে প্রতিহত করতে গিয়ে যদি কোনো রাজনৈতিক নেতা এভাবে চক্রান্ত ও অপপ্রচারের শিকার হন, তবে ভবিষ্যতে সমাজের কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ ও প্রতিবাদী নেতৃত্ব এগিয়ে আসার সাহস পাবে না।
সচেতন মহলের আহ্বান:
প্রকৃত চোর, তাদের মদদদাতা যুবলীগ নেতা সোহাগ এবং ছাত্রলীগ নেতা মেহেদীর অপপ্রচারে বটিয়াঘাটাবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। একই সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানানো যাচ্ছে আজমল হোসেন লিটনের বিরুদ্ধে পরিচালিত এই ষড়যন্ত্র বন্ধ করে,সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনাপূর্বক মূল অপরাধী সোহাগ ও মেহেদীসহ পুরো চোর চক্রকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।