• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সাংবাদিকের গায়ে হাত? ধর্মতলা কাঁপিয়ে জবাব দিল সাংবাদিক সমাজ জগন্নাথপুরে প্রথমবারের মতো কৃষি ঋণ বিতরণ শুরু করলো সকল ব্যাংক জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চট্রগ্রামের কিডস্ ক্লাবের বড় সাফল্য কবিতাঃ জগৎ জিততে হবে ​মুক্তিযোদ্ধারা কাঁদলে বাংলাদেশও কাঁদবে: এমপি আমীর এজাজ খান জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির জরুরী সভা: ১০ আগস্টের মধ্যে ওয়ার্ড কমিটি জমার নির্দেশ তাহিরপুরে জমি বিরোধে মামলা করায় নারীসহ ৬ জনকে কুপিয়ে জখম রত্নগর্ভ পিতা-মাতাসহ সায়মাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন লোহাগাড়া ভবন মালিক এসোসিয়েশন বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন, প্রেমিক পলাতক, বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি জারিকারক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্যের প্রক্সি দিতে গিয়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড, শিক্ষক জুয়েল রানাকে নিয়ে প্রশ্ন

জগন্নাথপুরে বহুল আলোচিত সাড়ে ৩ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় ২ ভাই কারাগারে

Reporter Name / ৩৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:
জগন্নাথপুরের বহুল আলোচিত সাড়ে ৩ কোটি টাকা প্রতারণার মামলায় আদালত দুই ভাই ইয়াকুব ও ইসমাইলকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল ৮ জুলাই সিআইডি আদালতে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর, ৯ জুলাই অভিযুক্তরা আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো ইয়াকুব ও ইসমাইল জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গোয়ালগাও গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে। মামলাটি পর্যালোচনা করে সুনামগঞ্জের দায়রা জজ আদালত তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি চিহ্নিত করেছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মামলার অন্যতম আসামি হাফিজ কামরুল ইসলাম ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে প্রতারণার অর্থের বিষয়ে ইয়াকুব ও ইসমাইলের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেছিলেন। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের চার্জশিটে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করায় আদালত বিষয়টিকে তদন্তের বড় ঘাটতি হিসেবে গণ্য করেছেন।

প্রতারণার দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারার পাশাপাশি ১০৯ ধারা যুক্ত করার বিষয়টি তদন্তকারী কর্মকর্তা আমলে নেননি। আত্মসাৎ করা সাড়ে ৩ কোটি টাকার কোনো অংশ উদ্ধার করা হয়নি। এছাড়া প্রতারণার টাকায় কেনা জমির দলিল আলামত হিসেবে জব্দ না করাকেও তদন্তের ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হয়েছে।

মামলার বাদী মাওলানা ইমরান আহমদের অভিযোগ, অলৌকিকভাবে বিপুল অর্থ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। শুরুতে পিবিআই তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করলেও বাদী তাতে নারাজি আবেদন করেন। পরবর্তীতে সেই আবেদন খারিজ হলে তিনি সুনামগঞ্জের দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি রিভিশন মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৮৮/২০২০)।
এই রিভিশন মামলার রায়ে ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর অতিরিক্ত দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার নিম্ন আদালতের পূর্বের আদেশ বাতিল করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে ন্যস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd