• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
যশোরের শার্শায় ফেনসিডিল মামলায় পাকশিয়ার স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজির সাথে এসআরবি-১৪ এর নবাগত অধিনায়কের সৌজন্য সাক্ষাৎ ফুটপাতে সবুজের ফেরিওয়ালা বেলাল, কুড়ি বছর ধরে বিক্রয় করেন ফল-ফুলের চারা অসংখ্য গুনের গুনান্বিত ব্যক্তি ছিলেন মরহুম আলহাজ্ব শামসুল ইসলাম চৌধুরী; ৯ম মৃত্যু বার্ষিকীতে নুরুল ইসলাম সিকদারের বিনম্র শ্রদ্ধা সিলেট পুরাতন কারাগারের জায়গার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে জনমতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে— ডক্টর এম এ মোশতাক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড–২০২৬ পেলেন আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের দুই কৃতি শিক্ষার্থী মাদকবিরোধী অভিযানে যশোরে ৪ হাজার ৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ অসহায় সীমার পাশে আলো মিডিয়া গ্রুপ, সেলাই মেশিন উপহার দিলেন সাংবাদিক ছানু সাইয়েদ আবদুল্লাহর হস্তক্ষেপে সাঁথিয়ায় ভাতা কার্ড পেলেন দুই প্রতিবন্ধী ব্যক্তি কুরুচিপূর্ণ পোস্টের আড়ালে ‘ব্ল্যাকমেইল’, ঠাকুরগাঁও আপডেট পেইজের মূল অ্যাডমিন শাওন ডিবির জালে

ডিমলা সদর ইউনিয়নের ইসলামিয়া কলেজ থেকে নাউতরা সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫

 

মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন
ডিমলা, নীলফামারী

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ১নং সদর ইউনিয়নের ইসলামিয়া কলেজ থেকে নাউতরা পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি এখন চরম বেহাল অবস্থায়। বহু বছর ধরে সংস্কারবিহীন এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ, স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী, শ্রমজীবী ও ব্যবসায়ীরা চলাচল করেন।
স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে, ফলে ভ্যান, মোটরসাইকেল কিংবা যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বিশেষ করে স্কুল–কলেজগামী ছাত্রছাত্রীদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না।
৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ দুলাল হোসেন বলেন,
বৃষ্টির সময় ভ্যান চালানো যায় না। এনজিও থেকে টাকা নিয়ে ভ্যান কিনেছি, কিন্তু রাস্তায় কাদা হলে ভ্যান চালাতে পারি না। তখন কিস্তি দেওয়া আমাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। কাদায় ভ্যান চালাতে গিয়ে গাড়ি নষ্ট হয় — গরিব মানুষের জন্য এটা বড় কষ্ট।
এমনই অভিমত দেন স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ রাশেদুজ্জামান রাশেদ। তিনি বলেন,
বৃষ্টি হলেই দোকানে যাওয়া–আসা করতে ভোগান্তি হয়। আবাদের সন্তানের স্কুল–কলেজে যাওয়া নিয়েও দুশ্চিন্তা থাকে। সামান্য বৃষ্টিতে পথ চলা কঠিন হয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ বাবলু হোসেন অভিযোগ করে বলেন,
কত নেতা এল, কত প্রতিশ্রুতি দিল—কেউ রাস্তা পাকাকরণ করলো না। এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান সবাই জানেন, কিন্তু রাস্তা এখনও কাঁচা। আমাদের কষ্টের শেষ নেই।
অভিযোগ রয়েছে, প্রায় দশ বছর ধরে সড়কটি সংস্কারবিহীন, মাঝে মধ্যে বরাদ্দের কথা শোনা গেলেও কাজ হয়নি। সম্প্রতি এলাকায় গুঞ্জন উঠেছে, সড়কের ২ কিলোমিটার অংশের জন্য নতুন করে বরাদ্দ এসেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি আগেও এমন প্রতিশ্রুতি তারা বহুবার শুনেছেন, কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ কামনা করে বলেন,
এবার যেন কথার ফুলঝুরি না হয়ে বাস্তব উন্নয়ন হয় এটাই আমাদের প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd