• শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নেত্রকোনায় ৩৫টি গাছ উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা: জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ডেপুটি স্পিকারের পদ্মার তীব্র ভাঙনে গোদাগাড়ী কুঠিপাড়ায় ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্ক বাঁধ নির্মাণের আকুল দাবি ডোমারে দিনব্যাপী জামায়াতের ইউনিট সভাপতি শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত রেজুখাল বিজিবি চেকপোস্টে ৫,২০০ পিস ইয়াবাসহ এক নারী মাদক কারবারি আটক টঙ্গীতে ১ কেজি হেরোইন ও ২৫০০ পিস ইয়াবাসহ ‘কুত্তা মিজান’ গ্রেফতার কোন মানব রচিত মতবাদ দিয়ে পৃথিবীতে শান্তি আনা সম্ভব নয়- শরীফ মাহমুদ নকলায় ডুবন্ত শিশুকে বাঁচাতে দুই জমজ বোনের নদীতে ঝাঁপ মারা গেলেন একজন গাবীতে মাদক, জুয়া, চুরি, গুজব, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি আলীকদমে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের মামলায় পলাতক আসামি আব্দুল হাকিম গ্রেপ্তার প্রেমের সাড়া না দেয়ায় বাড়িতে হামলা, ভ্রাম্যমান আদালতে একবছরের কারাদণ্ড

পদ্মার তীব্র ভাঙনে গোদাগাড়ী কুঠিপাড়ায় ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্ক বাঁধ নির্মাণের আকুল দাবি

Reporter Name / ২১ Time View
Update : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬


‎​মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল, গোদাগাড়ী (রাজশাহী)

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কুঠিপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। হঠাৎ পানি বৃদ্ধি ও তীব্র ভাঙনে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন নদী তীরবর্তী কয়েকশ পরিবারের বাসিন্দারা।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে হঠাৎ করেই পদ্মার পানি বাড়তে শুরু করে এবং তীব্র নদীর স্রোতে পাড়ে বড় বড় ধস নামে। ভিটেমাটি নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়া এবং ঘরে পানি ওঠার আশঙ্কায় পুরো কুঠিপাড়া এলাকার মানুষ সারারাত জেগে আতঙ্কে রাত পার করেন।
​ভাঙনকবলিত এলাকার অধিবাসীদের অভিযোগ, টেকসই নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ না থাকার কারণেই প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে তাদের এভাবে জীবন ও সম্পত্তি হারানোর ভয়ে থাকতে হয়। এলাকার এক প্রবীণ বাসিন্দা জানান, প্রায় ১৯৯৬ সালের দিকে এখানে শেষবারের মতো বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রয়াত সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক এই বাঁধ সংস্কার ও সংরক্ষণে কিছু কাজ করেছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও নদী তীরবর্তী মানুষের সুরক্ষায় কিংবা বাঁধ সংস্কারে আর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

​ঘটনার পর থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ। এলাকাটির বিএনপি নেতা নূর আলম ইসলাম বলেন, গতকাল রাতের এই আকস্মিক ভাঙনে পুরো কুঠিপাড়ার সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান বা কার্যকর ভূমিকা দেখতে পাইনি। দীর্ঘদিন ধরে বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা দ্রুততম সময়ে নদীর তীর রক্ষায় বাঁধ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।
​কুঠিপাড়ার বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা পাওয়া তাদের মৌলিক অধিকার। প্রতি বছর কেন তাদের নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাতে হবে এমন প্রশ্ন তুলে তারা অনতিবিলম্বে পদ্মার তীর রক্ষায় স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd