• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:১০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সাংবাদিকের গায়ে হাত? ধর্মতলা কাঁপিয়ে জবাব দিল সাংবাদিক সমাজ জগন্নাথপুরে প্রথমবারের মতো কৃষি ঋণ বিতরণ শুরু করলো সকল ব্যাংক জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চট্রগ্রামের কিডস্ ক্লাবের বড় সাফল্য কবিতাঃ জগৎ জিততে হবে ​মুক্তিযোদ্ধারা কাঁদলে বাংলাদেশও কাঁদবে: এমপি আমীর এজাজ খান জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির জরুরী সভা: ১০ আগস্টের মধ্যে ওয়ার্ড কমিটি জমার নির্দেশ তাহিরপুরে জমি বিরোধে মামলা করায় নারীসহ ৬ জনকে কুপিয়ে জখম রত্নগর্ভ পিতা-মাতাসহ সায়মাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন লোহাগাড়া ভবন মালিক এসোসিয়েশন বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন, প্রেমিক পলাতক, বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি জারিকারক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্যের প্রক্সি দিতে গিয়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড, শিক্ষক জুয়েল রানাকে নিয়ে প্রশ্ন

মোবাইল আসক্ত থেকে দূর করার জন্য শিক্ষার্থীদের হাতে বল তুলে দিলেন শিশু প্রেমি শিক্ষক ধনঞ্জয় রায়

Reporter Name / ১৩৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

মোঃ মাহফুজুর রহমান, খুলনা:

খুলনার করিমুন্নেছা মডেল স্কুলের সহকারি শিক্ষক এবং বর্ণমালা হ্যান্ডরাইটিং একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা- পরিচালক ধনঞ্জয় রায় তিনি শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে বিভিন্ন ভাবে চিন্তা চেতনায় তাঁর অবদান অনন্য। বর্তমানে প্রায় ঘরে স্মার্ট ফোন। কোনো কারণ ছাড়া তাদের কাছে ফোন চলে আসে। দেখছে ও গেম খেলছে ও বিভিন্ন ভাবে তারা আসক্ত হয়ে পড়েছে। শিশুদের সহিত খোলামেলা আলোচনা ও উৎসাহ দিয়ে আরও সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া যায় তার দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন। কথা ছিলো মোবাইল ফোন না দেখলে খেলার বল দেওয়া হবে। সার্বিক বিচার বিবেচনা ও অভিভাবকদের সাথে মত বিনিময়ে তিনি সিদ্ধান্ত নেন তারা যখন মোবাইল দেখছে না তখন বল উপহার দেওয়া যাবে। প্রথম শ্রেণির বালক শিক্ষার্থীদের ফুটবল উপহার দেন গত ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে। ক্লাসে উপস্থিত ছাত্র দের কয়েকজনকে ডেকে নিজ অর্থ ব্যয়ে বল উপহার দেন। এ সময়ে উপস্থিত ছাত্রী দের উদ্দেশ্য করে আরও বলেন তোমাদের জন্য তিন সেট লুডু ও এক সেট দাবা দেওয়া হবে।
এমন উপহারের কথা শোনামাত্র ক্লাসের সকলে আনন্দে মেতে ওঠে। সকল শিশুরা সুষ্ঠু পরিবেশ ও বিনোদনে ভরপুর হয়ে জাগ্রত হোক এই প্রত্যাশা কামনা করেন ধনঞ্জয় স্যার। পড়ালেখার পাশাপাশি বিনোদন, খেলাধুলা ও জরুরি। মোবাইল থেকে দূর করার একটি প্রয়াস। সকল শিশুর প্রতি গভীর ভালোবাসা এ যেন এক দৃষ্টান্ত। স্কুলে সকল শিক্ষক ও পরিচালক স্যার খুবই খুশি তাঁর কাজের প্রতি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd