মোঃ শহিদুল ইসলাম, শেরপুর প্রতিনিধি:
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ দ্রুত, স্বচ্ছ ও সহজ প্রক্রিয়ায় প্রদানের লক্ষ্যে IBAS++ পদ্ধতির মাধ্যমে অর্থ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট ২০২৬) শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপির ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার জনাব এ. কে. এম. জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ পলাশ, উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।
ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। IBAS++ পদ্ধতির মাধ্যমে অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে শেরপুরের জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিন সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
এ সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেরপুর জেলার কামারেরচর এলাকার বাসিন্দা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জনাব মোখলেছুর রহমানের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁর অনুভূতি জানতে চান। জবাবে মোখলেছুর রহমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এর আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শেরপুরের জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোখলেছুর রহমানের হাতে কল্যাণ সুবিধার অর্থের চেক তুলে দেন।
অনুষ্ঠান শেষে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং IBAS++ পদ্ধতির মাধ্যমে অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদানের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।