• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, সেক্রেটারি নিলয় চক্রবর্তী পাঁচবিবি সীমান্তে মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৪২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি নতুন কমিটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত সভাপতি খলিল, তরুণ সাংবাদিকদের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির পৃথক অভিযানে ইস্কাফসহ হেরোইন ও গাঁজা আটক পাঁচবিবির যমুনা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত নেত্রকোণায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ডিমলা-পাটগ্রামে বিজিবির অভিযান: ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বিদেশি মদ জব্দ নেত্রকোনায় থামছে না বাল্যবিয়ে, ১১ মাসে বন্ধ হলো ২১টি বিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধন

ধর্ষণ- একটি লোমহর্ষক অভ্যাস

Reporter Name / ১৩৩ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

 

তানিশা মাহমুদ সালাম রেবাশ

‘ধর্ষণ’ একটি ছোট্ট শব্দ, কিন্তু এর অর্থ ভয়ংকর। আজকাল যে হারে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে মহিলা ও শিশুরা তাতে সমাজের নারী মূল্যায়নের চরম অবক্ষয় হচ্ছে। আমরা মেয়েরা যেখানে পাহাড়ে চড়ছি , উড়োজাহাজ ওড়াচ্ছি, এমন কি মঙ্গল গ্রহেও পৌঁছচ্ছি , সেখানে ‘ধর্ষণ’ আজ মেয়েদের এগিয়ে চলার পথে কাঁটার মতো ছড়িয়ে আছে। যদিও আমরা একবিংশ শতাব্দীতে পৌঁছেছি কিন্তু এই লোমহর্ষক অভ্যাসটি যা একজন পুরুষকে মানুষ থেকে অমানুষে পরিণত করে তা বিলুপ্ত হতে পারেনি। যখনই আমি ভিডিও,খবর,পত্রিকার মাধ্যমে কোনো ধর্ষণ,সেক্সচুয়াল মোলেস্টেশন, ইভ টিসিং, সম্পর্কীয় ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারি, আমার এটা ভেবে ভীষণ কষ্ট এবং ঘৃণা হয় যে এই পৃথিবীতে আমি নিঃশ্বাস নিচ্ছি, সেই সাথে এখনো এমন পুরুষরাও নিঃশ্বাস নিচ্ছে যারা ধর্ষক।

যখন আমি ধর্ষণের কথা চিন্তা করি, তখনি আমার পরিবারের মেয়েদের কথা, আমার মা, খালা, বোন, ভাগ্নি, ভাইজিদের কথা খুব মনে পরে ও আমি তীব্র অস্থির হয়ে পরি। আমার পরিবারের নারী সদস্যরা আল্লাহ না করুন যদি এমন বিপদে পরেন তাহলে তারা কিভাবে সেই ভয়াবহ পরিস্থিতির মোকাবিলা করবেন? আমাদের দেশের আগামী প্রজন্মের মেয়েদের কি হবে? তাদের কে কি কোনো ধরণের বিশেষ প্রশিক্ষণ আত্মরক্ষার জন্য দেয়া হবে ?

একজন পুরুষ যখন কাউকে ‘ধর্ষণ’ করার কথা পরিকল্পনা করেন তখন কি সে এটা ভাবেনা যে তার ঘরেও নারী সদস্যরা আছেন ? নিজের পরিবারের নারী সদস্যরা কি কোনদিন একজন ধর্ষককে তার কুকর্মের জন্য ক্ষমা করতে পারবেন ? একজন মানুষ হিসেবে আর একজন মানুষের মুখের হাসি কেড়ে নেয়ার অধিকার কি কারোর আছে ? আর কতদিন পর মানুষ বুঝবে যে মেয়েরা কোন পুতুল বা আসবাবপত্র নয় যে তাদের যখন খুশি ও যেমন খুশি ব্যবহার করা যাবে? আমাদের সমাজের কিছু ভুল নিয়ম এবং ধর্ষণের মতো ধিক্কারজনক কর্মকান্ডের প্রতি গুরুত্ব না দেয়ার জন্য বাংলাদেশের অনেক মহিলা ও শিশুদের নানা মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

এখন সময় এসেছে রুখে দাঁড়াবার। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার এই তো সময়। আসুন আমরা সবাই মিলে ‘ধর্ষণ’ কে না বলি। আমাদের দেশের সকল মানুষ চলুন আজ এই প্রতিজ্ঞা করি যে আমরা আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রম নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেবোনা। এই দেশের আইন ও আদালত ধর্ষকদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবে যে আর কোনো পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ‘ধর্ষণ’ করার আগে হাজার বার চিন্তা করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd