মোঃ মুনজুর আলম, স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার বটিয়াঘাটায় উপজেলা যুবদলের অন্যতম জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেতা আজমল হোসেন লিটনের ওপর আরোপিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে সমগ্র এলাকা। ভুল ও মনগড়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে দাবি করে এর প্রতিবাদে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সাধারণ জনগণ ছাড়াও বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেওয়া হাজারো নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর দাবি, আজমল হোসেন লিটন সম্পূর্ণ নির্দোষ। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও ভুল তথ্যের শিকার বানিয়ে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, যা তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না। বটিয়াঘাটায় দলকে সুসংগঠিত করা ও সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়াতে লিটনের অবদান অনস্বীকার্য। অবিলম্বে তদন্তপূর্বক এই ভুল সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে তাকে স্বপদে পুনর্বহালের জোর দাবি জানান তারা।
বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সংহতি জানিয়ে রাজপথে নেমে আসেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় শীর্ষ ও সক্রিয় নেতৃবৃন্দ। মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জুয়েল বিশ্বাস, তুরান হোসেন রানা, আনোয়ার হোসেন আনো, মুসাউর, সাইদুল খন্দকার, বাপ্পি জমাদ্দার, এজাজ আকঞ্জি, পারভেজ মোল্লা, ইমরান শেখ, রুকু শেখ, শরিফুল মোল্লা, বাপ্পি ফকির, ইলিয়াস হোসেন, সোহাগ হাওলাদার, আবু হানিফ, জাহাঙ্গীর, সাদ্দাম হোসেন, শিহাব, মশিউর রহমান লিটু, আল মামুন, আজমির খান, নাঈম বেপারী, মনা, অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন, সোহাগ, তৈবুর রহমান বাবু, সোলেমান, ইয়াসিন, মনির হোসেন, হাসান, তরিকুল ইসলাম, হালিম তালুকদার, জুয়েল, মঞ্জু, রায়হান, শাহজালাল, শাহাদাত, চানু মিয়া, এমদাদ, ইসরাফিল, জাহিদ, ওসমান, রোহান, কালাম, আব্দুল জলিল, আলম, ওহাব, সাগর প্রমুখ।
রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি লিটনের মুক্তির দাবিতে নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী সাধারণ মানুষের ঢল নামে। প্রতিবাদ মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন আখি আক্তার, ফাতেমা, কুলসুম, লাইজু, হিনা মুখার্জি, অর্পিতা রায়, আসমা, পেয়ারা খাতুন, মলিনা দাস, ভগবতী দাস, গীতা রানী, চৈতালি সরকার, পূর্ণিমা, বাবু বিহাররঞ্জন, ভজন দাস, হরিদাস, কালিপদ বিশ্বাস, হরেন্দ্রনাথসহ এলাকার নানা পেশার সর্বস্তরের জনগণ।
সমাবেশে বক্তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, তৃণমূলের প্রাণ আজমল হোসেন লিটন রাজপথের একজন পরীক্ষিত সৈনিক। ষড়যন্ত্রকারীদের ভুল তথ্যে দেওয়া এই অন্যায় বহিষ্কারাদেশ দ্রুত প্রত্যাহার করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর ও তীব্র আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।