• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ঐতিহ্যের ধারায় প্রাণবন্ত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

Reporter Name / ১৮৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

মোঃ রফিকুল ইসলাম টিটু, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত হয় এ আয়োজন।
বিদ্যালয়টি ১৯৫০ সাল থেকে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবছর আয়োজন করে আসছে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার। এবারও বিদ্যালয় মাঠে উপচে পড়া ভিড়ে পরিণত হয় এলাকাবাসীর মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় মশাল প্রদক্ষিণ ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ধর্মপাশা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব জনি রায় পতাকা উত্তোলন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মাহবুবুল কবীর।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল মেয়েদের অসাধারণ ডিসপ্লে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দৌড়, লং জাম্প, হাই জাম্পসহ বিভিন্ন ট্র্যাক ও ফিল্ড ইভেন্ট। শিক্ষার্থীদের উদ্দাম শক্তির প্রকাশ ঘটে প্রতিটি প্রতিযোগিতায়।
প্রধান অতিথি জনাব জনি রায় তার বক্তব্যে বলেন, “এরকম অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমি আনন্দিত। ছেলেমেয়েদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে শারীরিক কসরত এবং খেলাধুলার বিকল্প নেই।” তিনি প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং প্রতিষ্ঠানের অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। এলাকার ক্রীড়ামোদী মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে করেছিল উৎসবমুখর।
সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নে পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের ভূমিকা অপরিসীম।” তিনি সকলের সহযোগিতায় সফলভাবে আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
স্থানীয়দের মতে, বছরের পর বছর ধরে চলা এই ক্রীড়া আয়োজন শুধুমাত্র একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান নয়, বরং পুরো এলাকার একটি সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর উচ্ছ্বাসে মুখরিত ছিল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সারাদিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd