• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কবিতাঃ তুমি তো চলেই যাবে তালামীযের রানীগঞ্জ ইউনিয়ন শাখা’র কাউন্সিল ও অভিষেক সম্পন্ন ৯ মাসের অনাথ শিশু থেকে বিএ পাস সমাজসেবক, মেম্বার পদে লড়ছেন হারাধন সার সংকটের সমাধান, কৃষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা-গ্রেফতার ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন দৈনিক ভয়েজ অব টাইগারের সাংবাদিকরা খুলনা আর্ট একাডেমি পরিদর্শন করেন পৌর বিএনপির সভাপতি আমিরুল বাহার কে সংবর্ধনা দিয়েছে এমপি মনজুরুল ইসলামসহ নেতাকর্মীরা ইবনে সিনা ন্যাচারাল মেডিসিনের উদ্যোগে খুলনায় এনজিকিউ এবং কায়রোক্যাপ প্রোডাক্টের সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথের খাজাঞ্চিতে আলহাজ্ব লজ্জতুন নেছা উচ্চবিদ্যালয় এন্ড কলেজের উদ্বোধনী ও সংবর্ধনা সফলের লক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুরে ব্রিটিশ বাংলা ট্রাস্টের শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে সেলাই মেশিন বিতরণ জগন্নাথপুরে জমিতে রোপনকৃত আমন ধানের চারা উপরে ফেলা নিয়ে উত্তেজনা

একটি ভালোবাসার উপহার: ছাত্রের আঁকা শিক্ষক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাসের প্রতিকৃতি।

Reporter Name / ২১৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫

 

গাইন’স স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইয়ান মুহাম্মদ রেহান চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস স্যারের একটি প্রতিকৃতি পেন্সিলে এঁকে উপহার দিয়েছে। এই চমৎকার চিত্রটি সে পাঠিয়েছে ৪ই আগস্ট ২০২৫, গাইন’স স্কুলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে। ছবিটি আঁকার উৎসাহ পেয়েছে তার ছোট ভাই রাফসান মুহাম্মদ রিদানের কাছ থেকে, যে গাইন’স স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া একজন নিয়মিত ড্রয়িং শিক্ষার্থী।গাইন’স স্কুল পরিচালনা করেন শিল্পী মহানন্দ গাইন, যেখানে অনলাইনে ছবি আঁকা, হাতের লেখা, আবৃত্তি প্রভৃতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আমি, চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস, গাইন’স স্কুলে একজন ড্রইং প্রশিক্ষক হিসেবে যুক্ত আছি। রিদান আমার সরাসরি শিক্ষার্থী। তার বড় ভাই রাইয়ান আমার ছাত্র নয় তবু মাত্র দুই মাসের পরিচয়ের ভেতর দিয়ে, শুধুমাত্র ছোট ভাইয়ের মাধ্যমে আমার প্রতি ভালোবাসা গড়ে তোলে এবং হৃদয়ে স্থান দেয়।

ছবির সঙ্গে লেখা ছিল

“আসসালামু আলাইকুম। আমি রিদান, ক্লাস টুতে পড়ি। গাইন’স স্কুল আমার প্রথম আর্ট স্কুল এবং চিত্রশিল্পী মিলন স্যার আমার প্রথম আর্ট স্যার। স্যারের আর্ট শেখানোর টেকনিক আমি খুব পছন্দ করি। আমার ভাইও মাঝে মাঝে দেখে এবং স্যারকে পছন্দ করে। স্যারের টেকনিকগুলো ভাইয়ার খুব ভালো লাগে। স্যারের এই ছবিটি আমার ভাই এঁকেছে। আমার ভাইয়ের নাম রাইয়ান, বয়স ১২, ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।”

 

এই উপহার পেয়ে আমি, চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস, অভিভূত ও আবেগাপ্লুত। একজন শিক্ষক হিসেবে এটাই আমার জীবনের পরম প্রাপ্তি। একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের শুধু শেখায় না, হৃদয় দিয়ে ভালোবাসে বলেই সে প্রিয় হয়ে ওঠে। একজন শিল্পীর সৃষ্টিকর্মই তার জীবনের আসল পরিচয়।২০০৩ সাল থেকে আমি খুলনায় “খুলনা আর্ট একাডেমি” পরিচালনা করছি এবং ২০১০ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ভর্তি সহায়তা দিয়ে প্রায় ২২৩ জন শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছি। ২০২৫ সালের ৭ মে ঈদের দিনে যমুনা টিভিতে আমার একটি ডকুমেন্টারি প্রচারিত হয়, যা আমার শিল্পজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। তবে আজকের এই প্রতিকৃতি উপহার আমার হৃদয়ে একটি বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। কারণ, একটি শিশু যখন পেন্সিল হাতে নিয়ে ভালোবাসার মানুষকে এঁকে ফেলে, তখন তা শুধু ছবি নয় তা হয়ে ওঠে এক অনন্য স্মৃতিচিহ্ন। আমি নিশ্চিত, রাইয়ান ও রিদান ভবিষ্যতে বড় হয়ে দেশকে ভালো কিছু উপহার দেবে। এই বয়সেই তারা সৃজনশীলতার যে বীজ বপন করেছে, তা একদিন মহীরূহ হয়ে উঠবে। পরিশেষে, গাইন’স স্কুলের পরিচালক মহানন্দ গাইন স্যারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, আমাকে এই সুন্দর প্লাটফর্মে ক্লাস নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।

 

আমি চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস

ড্রইং প্রশিক্ষক গাইন’স স্কুল।

পরিচালক,

খুলনা আর্ট একাডেমি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd