লেখকঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
প্রিয় বন্ধু গন, দুষ্প্রাপ্য এই ছবির মানুষটা ‘দক্ষিণ এশিয়ার’ বিশিষ্ট তিনজন বিশিষ্ট আলিম ও বুজুর্গ ইসলামি পন্ডিত ব্যক্তিদের একজন যার নাম “মাওলানা শামসুল হক!”
অনেক খুঁজে তার ছবিটা পেয়েছি! আমি দারুন ভাগ্যবান একজন মানুষ। তিনজন আল্লাহ ভক্ত বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদের লেখা বই আমি পড়েছি! একজন ” মাওলানা আশরাফ থানভী রহমাতুল্লাহি, পাকিস্তান, দ্বিতীয় জন মাওলানা গোলাম আহম্মদ মুর্তজা, ভারত আর তৃতীয় জন “মালানা শামসুল হক,” গওহর ডাঙা যাকে “সদর সাহেব ” বলে সবাই চিনতো! নিঃস্বার্থ অরাজনৈতিক অর্থ-বিত্তের লালসাহীন খোদা ভক্ত ইসলামের জ্ঞান ভান্ডার ইনি সেই লালবাগ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল যিনি “বঙ্গবন্ধু” কে কয়কজন মাওলানার সামনে এবং একগাদা আওয়ামীলীগ কর্মীর উপস্থিতি তে “তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার” ইত্তেফাক ভবনের দোতালায় বসে, নিজ গায়ের ‘মাওলানা কোট টা’ খুলে পরায় দিয়ে বলেছিলেন, ” “কেমন, এখন নেতা নেতা লাগছে না?” সেই মাওলানা কোট এক সময় “মুজিব কোট” নামে পরিচিত হয়ে গেলো! তলিয়ে গেলো মাওলানা শামসুল হকের ইতিহাস! আজ আর এ প্রজন্ম মুজিব কোটের আসল ইতিহাস কেউ জানে না!
আমি মাওলানা শামসুল হককে সামনাসামনি দেখেছি! আজ ৩০.০৮.২০২৫ সালের প্রথম প্রহর তার ছবিটা পেলাম! তিনি আইয়ুব খানের পরিবার পরিকল্পনা আইনের বিরোধিতা করে নির্যাতন ভোগ করেছিলেন!
তিনি “সাহেরা খাতুন নামের পরীকে” এসম দিয়ে আটকায় রেখে জ্বীন ইনসান সভায় বিচারে জয়লাভ করেছিলেন। আরও তার অনেক মোজেজা আমার জানা আছো। জীবনের একটা দীর্ঘ সময় এই সাদামাটা জীবনের অধিকারী একজন কামেল ইসলামি চিন্তাবিদের ছবিটা খুজতে খুঁজতে আজ রাত একটায় হঠাৎ পেয়ে গেলাম!
আল্লাহ আমার বাড়ী থেকে স্বল্প দূরে এই গওহর ডাঙা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা সভাপতি কে বেহেশতের সন্মানিত মাকাম দান করিও। তার মাত্র দুই আনা মূল্যের বইটা “জীবনের পণ” একজন মুসলমান অনুসরণ করতে পারলে তিনি আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারবেন, সবার শায়েখ মুফতি মাওলানা হওয়ার দরকার নাই বলে তার ঐ বইটায় স্পষ্ট ভাবে সাহসের সাথে তিনি লিখেছেন! তিনি শায়িত আছেন গওহর ডাঙা, টুঙ্গিপাড়ার মাটিতে!
ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
কবি লেখক গ্লোবাল পলিটিক্স বিশ্লেষক।