• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কাকিনায় ট্রাক-অটো মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ২ পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, সেক্রেটারি নিলয় চক্রবর্তী পাঁচবিবি সীমান্তে মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৪২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি নতুন কমিটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত সভাপতি খলিল, তরুণ সাংবাদিকদের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির পৃথক অভিযানে ইস্কাফসহ হেরোইন ও গাঁজা আটক পাঁচবিবির যমুনা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত নেত্রকোণায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ডিমলা-পাটগ্রামে বিজিবির অভিযান: ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বিদেশি মদ জব্দ নেত্রকোনায় থামছে না বাল্যবিয়ে, ১১ মাসে বন্ধ হলো ২১টি বিয়ে

নীলফামারীর মেয়ে শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী দগ্ধ শরীর নিয়ে ২০ শিশুকে বাঁচিয়ে তিনিও চলে গেলেন না ফেরার দেশে

Reporter Name / ৭৮৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫

 

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় যখন শোকের মাতম, তখন এক শিক্ষিকার আত্মত্যাগের গল্প উঠে এসেছে, যা সবাইকে স্তম্ভিত করেছে। ওই ভয়াবহ মুহূর্তে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থীকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে নিজে প্রাণ হারিয়েছেন শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কর্মরত নীলফামারী জেলার জলঢাকা পৌর শহরে র বগুলা গাড়ি চৌধুরী পাড়া মহিতুর চৌধুরীর মেয়ে মাহেরিন চধুরী।

এদিন দুপুরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাইমারি সেকশনের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার সময় ওই ভবনে ক্লাস চলছিল, যেখানে বহু শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর যখন আগুন ও ধোঁয়ায় চারদিক ছেয়ে যায়, তখন শিক্ষক মাহেরীন নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেন। তিনি দ্রুততার সঙ্গে আতঙ্কিত শিশুদের বের করে আনার চেষ্টা করেন।
তার প্রচেষ্টায় অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী অক্ষত বা সামান্য আহত অবস্থায় ভবন থেকে বের হতে সক্ষম হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই বীরত্বপূর্ণ কাজ করতে গিয়েই তিনি নিজে আটকা পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারান।

উদ্ধার অভিযানে থাকা এক সদস্যও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এক অভিভাবক বলেন, ম্যাডাম অনেক ভালো ছিল। সেনাবাহিনী আমাদের বলেছে— শিক্ষিকার জন্য অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী বেঁচে গেছেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত এবং ১৭১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৫০ জনের বেশি দগ্ধ অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আছেন। সরকার এই ঘটনায় মঙ্গলবার (২২ জুলাই) একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। আজ ২.৩০ মিনিটে গ্রামের বাড়ি নীলফামারী জলঢাকায় জানাযা শেষে বাবা মায়ের কবরের পাশে দাফন হবে শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরীর কে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd