• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
লোহাগাড়ায় মৃত্যুদাবীর চেক হস্তান্তর করল প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পাঁচবিবির ড্রাগন বাগান পরিদর্শন করেন পুলিশের ডিআইজি আশিক সাঈদ জামালগঞ্জে নদীতে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন ডিমলায় তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে গ্রাহক-পাম্প মালিকের সংঘর্ষ, আহত ১ গোয়াইনঘাটে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, এলজিইডি অফিসে তালা রানীগঞ্জ দূরন্ত ক্লাব’-এর ফাউন্ডার কমিটির নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন ডিমলা সীমান্তে মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ যুবক আটক, উদ্ধার মোবাইল ও নগদ টাকা বড় পরিচয় আমি মানুষ ধামইরহাটে ট্যাপন্ডাডল সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আজ আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস: প্রকৃতি রক্ষায় বিনিয়োগও শান্তির বিনিয়োগ

ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল ও মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ: জনস্বাস্থ্যে বাড়ছে উদ্বেগ

Reporter Name / ৮৮ Time View
Update : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম টিটু, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

দৈনন্দিন জীবনে পানীয় ও বিভিন্ন খাদ্যপণ্য সংরক্ষণে প্লাস্টিকের বোতলের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ব্যবহারের পর এসব প্লাস্টিক বোতল যথাযথভাবে অপসারণ ও পুনর্ব্যবস্থাপনা না হওয়ায় পরিবেশে তৈরি হচ্ছে দূষণের ঝুঁকি। দীর্ঘদিন পরিবেশে পড়ে থাকা প্লাস্টিক ধীরে ধীরে ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়ে মাইক্রোপ্লাস্টিক সৃষ্টি করতে পারে, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠছে।
ধর্মপাশা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতলসহ নানা ধরনের প্লাস্টিক বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এসব বর্জ্য খাল-বিল, নদী-নালা ও জলাশয়ে গিয়ে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করার আশঙ্কা তৈরি করে। প্লাস্টিক বর্জ্য দীর্ঘ সময় ধরে মাটি ও পানিতে থেকে ধীরে ধীরে ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হতে পারে এবং পরিবেশের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
এ বিষয়ে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনি রায় বলেন,
“প্লাস্টিক ও মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ বর্তমানে পরিবেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল ও অন্যান্য প্লাস্টিক বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলে সঠিকভাবে সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা করা অত্যন্ত জরুরি। পরিবেশ রক্ষায় একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। প্লাস্টিক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশ দূষণ ও মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।”
সচেতন মহলের মতে, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, ব্যবহৃত বোতল ও পলিথিন নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি স্কুল-কলেজ, বাজার ও জনসমাগমস্থলে প্লাস্টিক দূষণবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষায় আজকের সচেতনতাই হতে পারে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পৃথিবী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd