প্রেস বিজ্ঞপ্তি:-
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার উত্তর রমজানপুর গ্রামের কবি ও লেখক কে. এইচ. মাহবুবের মা মুনজিলা বেগম আর নেই। গত ২ আগস্ট ২০২৬, রবিবার বিকেল ৪টায় বরিশালের আসোকাঠি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। তিনি ২৫ এপ্রিল ১৯৫৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত তিন দিন ধরে জ্বর ও কাশিতে অসুস্থ ছিলেন মুনজিলা বেগম। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বরিশালের আসোকাঠি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। সন্তানরা হলেন বড় ছেলে কবি ও লেখক কে. এইচ. মাহবুব, ছোট ছেলে এনামুল হক এবং মেয়ে মরিয়ম।মায়ের মৃত্যুতে শোকাহত কবি কে. এইচ. মাহবুব মায়ের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত কবি কে. এইচ. মাহবুব। মায়ের মৃত্যুর সময় তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। তিনি জানান, সেদিন ঢাকায় মানিব্যাগের পার্টস আনতে গিয়েছিলেন। হঠাৎ মায়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তিনি শোক ও আকস্মিকতায় ভেঙে পড়েন। সেই সময় তাঁর হাত থেকে মোবাইল ফোন পড়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করে মায়ের মৃত্যুর সংবাদ জানানো সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে মোবাইলটি সার্ভিসিং করার পর তিনি সবাইকে মায়ের মৃত্যুর সংবাদ জানাতে সক্ষম হন।মায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কবি কে. এইচ. মাহবুব বলেন
“মায়ের মুখটি বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছে। মনে হচ্ছে, এই তো মা আছেন। কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম মা আর ফিরে আসবেন না। মায়ের ভালোবাসা ও আশ্রয়ের শূন্যতা কোনো কিছু দিয়েই পূরণ হওয়ার নয়।”অসুস্থ পিতাকে নিয়েও দুশ্চিন্তায় পরিবার কবির পিতা মুজিবর রহমান বর্তমানে অসুস্থ এবং একা চলাফেরা করতে পারেন না। স্ত্রীর মৃত্যুতে তিনিও গভীরভাবে শোকাহত। একদিকে মায়ের শোক, অন্যদিকে অসুস্থ পিতার ভবিষ্যৎ দুইয়ের ভারে কবি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।কবি কে. এইচ. মাহবুব নিয়মিত দৈনিক জন্মভূমি ও আমার একুশ পত্রিকায় তাঁর লেখা পাঠিয়ে থাকেন। তাঁর মায়ের মৃত্যুর সংবাদে দৈনিক কলম যোদ্ধা পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাসের শোক ও সমবেদনা দৈনিক কলম যোদ্ধার এডমিন ও খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস কবি কে. এইচ. মাহবুবের মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন“মা-বাবার ঋণ কোনো সন্তান কখনো শোধ করতে পারে না। মায়ের চলে যাওয়ার শূন্যতা একজন সন্তানের জীবনে কতটা গভীর, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। যাদের পিতা-মাতা হারিয়েছেন, তারাই কেবল এই কষ্টের গভীরতা উপলব্ধি করতে পারেন।কবি কে. এইচ. মাহবুবের মায়ের মৃত্যুতে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। আমরা মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে তাঁর অসুস্থ পিতা মুজিবর রহমানের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি।”তিনি আরও বলেন“মা পৃথিবী থেকে চলে গেলেও তাঁর ভালোবাসা, স্মৃতি ও স্নেহ সন্তানের হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকে। আমরা প্রত্যাশা করি, কবি কে. এইচ. মাহবুব এই কঠিন শোককে শক্তিতে পরিণত করে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন এবং তাঁর অসুস্থ পিতার পাশে থেকে তাঁকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।”দৈনিক কলম যোদ্ধা পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমা মুনজিলা বেগমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে অসুস্থ মুজিবর রহমানের দ্রুত সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া, আশীর্বাদ ও শুভকামনা কামনা করা হয়েছে।