মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন, ডিমলা নীলফামারী
নিলফামারীর ডিমলা উপজেলার শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত আংশিক কমিটি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। গত ১৬ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মারুফ পারভেজ প্রিন্স ও সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক (মোজাম) স্বাক্ষরিত এক মাস মেয়াদি কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
তবে ঘোষিত তালিকায় সাধারণ সম্পাদক পদে হাফিজার রহমানের নাম উঠে আসে, যিনি পূর্বে একই কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এবং ছাএলীগ হিসাবে পরিচিত ছিলেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় শিক্ষার্থীসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়।
সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেলা ছাত্রদল দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। ১৭ আগস্ট ২০২৫ তারিখে সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় হাফিজার রহমানকে কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শাখাটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
এ নিয়ে হাফিজার রহমানের সথে যোগাযোগ করতে একাধিক বার ফোন দিয়ে দেখা যায় তার ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
যার কারনে হাফিজার রহমানের কোন বক্তব্য নেওয়া যায় নি।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও কেউ দলের নীতি ও আদর্শের বাইরে গিয়ে কাজ করলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, শহীদ জিয়া কলেজ ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণার পর থেকেই সাধারণ সম্পাদক পদে হাফিজার রহমানের নাম প্রকাশিত হওয়ায় ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম নেয়। সাধারণ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছাত্রলীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ফলে একই ব্যক্তির নাম ভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্বে আসায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।