• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

দীঘিনালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ টাকা

Reporter Name / ৫৯ Time View
Update : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

 

ডেস্ক রিপোর্ট

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার পাবলাখালী ইউনিয়নের শান্তিপুর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে এ মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মুদির দোকানে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। গভীর রাতে আগুনের সূত্রপাত হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যেই তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে এবং পাশের দোকানগুলোতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় একের পর এক দোকান পুড়ে যেতে থাকে, সৃষ্টি হয় আতঙ্ক ও ভীতিকর পরিস্থিতির।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৭ বিজিবি) ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তা না হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হতে পারত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন—সুজিত ময় তালুকদার (চায়ের দোকান), উৎপল দেওয়ান (দোকান ও বসতঘর), পূর্ণিমা জয় চাকমা (মুদির দোকান), সোহেল চাকমা (সেলুন), রাজিব চাকমা (অটো গ্যারেজ), অমিত লাল চাকমা (একতা ডেকোরেটর), পরম তাপস চাকমা (মুদির ও চায়ের দোকান), শুভঙ্কর চাকমা (মুদির দোকান) এবং চয়নিকা চাকমা (কুলিং কর্নার)।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, আগুনে তাদের দোকানের সমস্ত মালামাল, আসবাবপত্র ও পণ্যসামগ্রী পুড়ে গেছে। অনেকেই তাদের জীবনের সঞ্চয় বিনিয়োগ করেছিলেন এসব ব্যবসায়, যা মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে তারা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এবং চরম আর্থিক সংকটে দিন পার করছেন।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন, যাতে তারা পুনরায় ব্যবসা শুরু করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd