স্টাফ রিপোর্টার:
জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক)-এর উদ্যোগে প্রবীণদের সামাজিক সুরক্ষার উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বিষয়ক প্রকল্প সমাপনি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় খিলগাঁও গভ. কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে আন্তঃপ্রজন্ম স্বনির্ভর ক্লাব-খিলগাঁওয়ের সভাপতি এম. হাফিজুর রহমান ময়নার সভাপতিত্বে ও জাহাঙ্গীর বিপ্লবের উপস্থাপনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকল্পের সমাপনী সভায় উপস্থিত বক্তারা এই প্রকল্পটিকে অত্যন্ত সময়োচিত ও প্রশংসনীয় হিসেবে অভিহিত করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমুখী প্রয়াস অব্যাহত রাখার জোরালো প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সিনিয়র সহকারী সচিব ও ব্যবস্থাপক অঞ্জন দাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেজগাঁও উন্নয়ন সার্কেল কার্যালয়ের ইনসান আলী, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা আফসানা পারভীন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর মতিঝিল ইউনিটের সহকারী থানা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কাকলী আক্তার, খিলগাঁও গভ. কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন সরকার, খিলগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, ডা. রেজিয়াসহ অন্যান্যরা। আরও বক্তব্য রাখেন আন্তঃপ্রজন্ম স্বনির্ভর ক্লাব-খিলগাঁওয়ের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশের প্রবীণ জনগোষ্ঠী আমাদের সম্পদ ও পথপ্রদর্শক। তাদের শেষ বয়স নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুরক্ষিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। রিক-এর এই দূরদর্শী প্রকল্পটি প্রবীণদের অধিকার রক্ষা ও তাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় প্রবীণদের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্র ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উভয়েরই অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। রিক-এর নেওয়া এই পদক্ষেপটি সেই দায়িত্ব পালনের একটি সফল উদাহরণ। প্রকল্পের সময়কাল শেষ হলেও এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং নতুন আঙ্গিকে এই কার্যক্রম দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য রিক-এর কর্তৃপক্ষের প্রতি বক্তারা আহ্বান জানান।
প্রবীণদের পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হলে স্থানীয় প্রশাসন, সরকারি দপ্তর, এনজিও এবং বিভিন্ন নাগরিক সমাজের সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রয়াস প্রয়োজন। একটি সমন্বিত কাঠামোর মাধ্যমে সেবা প্রক্রিয়াকে গতিশীল, স্বচ্ছ ও আধুনিক করা সম্ভব।