• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নতুন কমিটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত সভাপতি খলিল, তরুণ সাংবাদিকদের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির পৃথক অভিযানে ইস্কাফসহ হেরোইন ও গাঁজা আটক পাঁচবিবির যমুনা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত নেত্রকোণায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ডিমলা-পাটগ্রামে বিজিবির অভিযান: ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বিদেশি মদ জব্দ নেত্রকোনায় থামছে না বাল্যবিয়ে, ১১ মাসে বন্ধ হলো ২১টি বিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধন ধামইরহাটে সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভার সন্ধানে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের যাত্রা সিংগাইরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন পূর্বধলায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন, ফুটবলে ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের জয়

ফিলিস্তিনে মানবতা কাঁদে না!

Reporter Name / ১৭৬ Time View
Update : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

লেখকঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম

১৯০৬ সালে গ্রুয়েন নামক একজন ইহুদি সম্ভবত পোল্যান্ড থেকে এসে বসবাস শুরু করে ফিলিস্তিনে গাজার কাছাকাছি এবং কৃষি কাজ করে জীবন চালায়! প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফিলিস্তিন শাসক “ওসমানীয়া” খেলাফত ভেঙে যায় এবং “ফিলিস্তিন ভূখন্ড” বৃটিশ শাসনে চলে যায় ১৯১৭ সালে! কপাল পোড়ে এখন যে ফিলিস্তিন দেখছেন হাত-পা হারা পঙ্গু ফিলিস্তিন বাসীর! বৃটিশ শাসনের ছত্রা ছায়ায় শীপ ভর্তি করে ইহুদি এই ভূখন্ডে পাঠানো হয়। ইহুদি রা তাদের নেতা “ব্যারন রইস” এর নেত্রীত্বে বিভিন্ন জায়গায় একটা আবাসস্থলের জন্য আন্দোলন করতেছিলো। বৃটিশ বিদেশ মন্ত্রী “লর্ড আর্থার জেমস বেলফোস” তাকে আন্দোলন থামাতে বলে এবং চিঠিতে দিয়ে জানায়, “পেয়েছিরে পেয়েছি তোদের ভূখন্ড পেয়েছি” ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইহুদি বসতি হবে! অর্ধেক আরব রাস্ট্র অর্ধেক ইহুদি রাস্ট্র প্রতিষ্ঠা করে দেবো!

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর হিটলার থেকে জার্মানি তে যত ইহুদি বেঁচে ছিলো, মার্কিন প্রেসিডেন্ট “ট্রুম্যান” সব কুড়িয়ে এক লাখের মত বর্তমান তেল আবি বের আশেপাশে শীপে করে পাঠিয়ে বসতি স্হাপন করে দেন! ১৯৪৮ সালের ১৪ ই মে জাতিসংঘ স্বাধীন ইসরায়েল রাস্ট্র ঘোষনা করে দেয় কিন্তু ফিলিস্তিন রা বেওয়ারিশ থেকে যায়!
তখন মিশর, জর্ডান, সিরিয়া, লেবানন, ইরাক যুদ্ধ ঘোষণা করে কিন্তু মার্কিন ও ইউরোপীয় দেশগুলোর আধুনিক অস্ত্র সহযোগিতা এবং সৈন্য সহায়তায় ৬ টা দেশ পরাজিত হয়! প্রায় ৭ লাখ ফিলিস্তিন তাদের বসতবাড়ী জমি হারায় বাচ্যত্বচ্যূত হয়ে বিভিন্ন মুসলিম দেশে আশ্রয় নেয়!
সেই থেকে আজও ফিলিস্তিন মুসলমানরা পথে পথে ঘুরছে!
মার্কিন চাপে ফিলিস্তিন পক্ষে যুদ্ধ করা মিশর ১৯৭৯ সালে ইসরায়েল কে স্বীকৃতি দেয়! এভাবে আরো মুসলিম দেশ ইসরায়েল কে স্বীকৃতি দিয়ে ব্যবসা বানিজ্য করতে থাকে। যারা ইসরায়েলের সাথে বিরোধিতা করেছে তাদের মিশরের “আনোয়ার সাদাতের” মত সেনা কুচকাওয়াজ পরিদর্শন সময় নিজ সেনার হাতে রাইফেলের বাটের আঘাতে মরতে হয়েছে, ইসরায়েলের স্বীকৃতি ফেরত দিয়ে বাংলার ” মুজিবের” মত নিজ সেনাদের হাতে পরিবার সহ মরতে হয়েছে! মরতে হয়েছে “সাদ্দাম” “গাদ্দাফি” সহ অনেক কে! মরতে হয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট “রাইসি” কে, হামাস কমান্ডার “হানিয়েল” কে, হিযবুল্লাহ কমান্ডার “নসরুল্লাহ” কে!
গত দুই বছরে গতকালের গাঁজা হত্যা পর্যন্ত ৬২ হাজার ৮৬৬ জন প্রায় হত্যা সম্পূর্ণ হয়েছে! আর-ও হত্যা হবে কারন গাঁজা কে ফিলিস্তিন বসত মুক্ত করে পর্যটন কেন্দ্র করার পরিকল্পনা হয়েছে বিশ্ব মুরব্বির, অতএব তাকে খুশি করতে “নেতানেহু” প্রয়োজনে ভূমধ্যসাগরের সব জল রক্তাক্ত করবেন !

প্রিয় পাঠক, “পাগলা বাবার” নজর যে দেশের প্রতি পড়েছে তাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়েছে ইতিহাস সাক্ষী। কোন দেশের আহাম্মক জনগণকে ধর্মীয় শুরশুরি দিয়ে শক্তিশালী দেশটাকে দুর্বল করেছে, যেমন যুগোস্লাভিয়া ভেঙে বসনিয়া বের করে দিয়েছে! “সিরিয়ার” মত শক্তিশালী দেশটাকে আজ ইসরায়েলের পদানত করে দিয়েছে। আহম্মক রা প্রশান্তি তে ঢেকুর তোলে ২০১৪ থেকে যুদ্ধ করে “বাশার আল আসাদ” কে তো তাড়িয়ে নতুন স্বাধীনতা পেয়েছি, কিন্ত সিরিয়ার মোট জনসংখ্যার ৪০% বসবাস গোলান মালভূমি ইসরায়েল দখলে নিয়েছে সেদিকে বোঝার মত জ্ঞান মেধা আই-কিউ এক শ্রেনীর সো কল্ড শিক্ষিত শ্রেনীর থাকে না আর অশিক্ষিত ধর্মপ্রাণ মুসলমান/ হিন্দু তো মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা বিশ্বাসে হুজুগে মাতে! তাদের প্রতি কোন অভিযোগ নাই ! নবাব সিরাজুদ্দৌলার বিরুদ্ধে হত্যার আগে নৈতিক অধ পতনের কোন অভিযোগ প্রমানিত হয় নাই, সিরায়ার বাশার আল আসাদ ইসলামের শত্রু, কোটি কোটি ডলার পাচারকারী তা পরবর্তী পুতুল সরকার প্রমান করতে পারে নাই বরং ব্যাঘ্র সম দেশটাকে বিড়াল সম অবসহানে নামিয়ে পরাধীন করে পরোক্ষভাবে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে!

ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশে কে ভালোবাসেন। নিজ সন্তান কে প্রগতিশীল দেশপ্রেমিক করে গড়ে তুলুন অবৈজ্ঞানিক প্রপাগাণ্ডা বিশ্বাসী আহম্মক তৈরি করে রেখে যইয়েন না, মুখস্থ করে একাডেমিক একগাদা সনদ জোগাড় করা যায়, ভালো চাকুরী করে আয় করা যায় কিন্তু প্রসস্থ আত্মা কর্তব্যেপরায়ন দেশপ্রেমিক তৈরি হয় না!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd