নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রশাসনের নির্দেশে বন্দরনগরীর বাসা ও ফ্ল্যাট মালিকদের ঘর ভাড়া দিতে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম পালন করতে হচ্ছে। ভাড়াটের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি গ্রহণ করে পুলিশের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে ঘর ভাড়া দিতে হচ্ছে। ভাড়াটের সকল তথ্য থাকতে হবে পুলিশের সংরক্ষণে। পুলিশের অনুমোদন ছাড়া ঘর ভাড়া দেওয়া-নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
অপরাধ তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ, জঙ্গি নির্মূল ও ভুয়া পরিচয়ে থাকা ব্যক্তি চিহ্নিতকরণের লক্ষ্যে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে ঘর মালিকদের সাথে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ বৈঠক করে নির্দেশনা প্রদান করে। বর্তমানে ভাড়াটেকে ঘর মালিকের কাছে জমা রাখতে হচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, চাকরির প্রমাণপত্র, আয় সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং পূর্ববর্তী ঠিকানা। ভাড়াটের “ট্যানেন্ট ইনফরমেশন ফরম” জমা দিতে হচ্ছে থানায়। পুলিশের যাচাই-বাছাই শেষে দেওয়া হচ্ছে অনুমোদন। অতঃপর ঘরের মালিক ভাড়াটেকে হস্তান্তর করছেন ঘর।
নিয়ম ভঙ্গ করে ঘর ভাড়া দিলে ঘর মালিক ও ভাড়াটে উভয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সাধারণ ভাড়াটেরা বিষয়টিকে জটিল মনে করলেও নিরাপত্তার স্বার্থে সকলেই বিষয়টি মেনে নিচ্ছেন। এই ব্যবস্থা চালু করায় নগরীর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও বাড়িওয়ালা-ভাড়াটে সম্পর্ক সুরক্ষিত হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করছে। বর্তমানে এই নিয়ম না মেনে ঘর ভাড়া দেয়া-নেয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।