লেখকঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
বাংলাদেশ ডুবে যাচ্ছিল তাই আমাদের দেশের গর্ব “ডক্টরেট ও নোবেল বিজয়ী ইউনূস স্যার” দেশ কে ভালোবেসে একটা বড় মার্কিন টীম নিয়ে দেশে চলে এলেন দেশের আসল উন্নয়ন করতে! তিনি গত একবছর ক্ষমতায় থেকে যা করেছেন তা নিজ মুখে এক সাক্ষাৎ কারে বলেছেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার সব কিছু তার বাপ ভাই বোন পরিবারের নামে দিয়েছে যার সব কিছুর নাম ফলক তিনি পরিবর্তন করেছেন!
কিন্তু মজার কথা হচ্ছে তিনি দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, টানেল, রেল ব্রিজ, শিল্প নগরী করে ডঃ ইউনূসের নাম লিখতে পারেন নাই চিরস্মরণীয় হয়ে থাকার জন্য!
তিনি বিদেশি সাংবাদিকদের বলেছেন, বিগত সরকার প্রতি মাসে ১৭ বিলয়ন ডলার করে বিদেশে পাচার করেছে, অথচ তিনি ১১ মাস ক্ষমতায় থেকে ১৭×১১ = ১৮৭ বিলিয়ন জমায় দেখাতে পারেন নাই!
তার আইন উপদেষ্টার কথিত ২৬ লক্ষ ভারতীয় বাংলাদেশে চাকুরী করা বিতাড়িত করেন নাই! অনেকগুলো কথিত গোলামী চুক্তি ভারতের সাথের একটাও বাতিল করেন নাই!
আমরা ইলিশ খেতে পাইনা, ভারতের লোক বাংলাদেশের মাগনা ইলিশ খায়, ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করেন নাই!
ভারতের ট্রানজিট বাতিলের প্রতিশোধ নিতে কোন পদক্ষেপ নেন নাই! বিগত সরকারের সব দোষ সমালোচনা বিশ্লেষণ যথারীতি করে যাচ্ছেন কিন্তু
৫৬০ টা মডেল মসজিদ সমালোচনা করা ৯০% মুসলমানদের দেশে বুমেরাং হতে পারে তার প্রেস সচিবের তেমন আক্কেল নাই! তিনি ও তা ভেবে দেখলেন না!
আসিফ নজরুল সাহেব সাংবাদিকদের বলছেন, তখন কত কথা পথে ঘাটে বক্তৃতায় বলেছি তার সব সত্যি না! এমন কথায় জনগন সরকার কে মিথ্যা বাদী ভাবতে শুরু করেছে!
বিগত পতিত সরকারের একশত শিল্প নগরী তে বিদেশিরা কাড়াকাড়ি করে প্লট, দ্বীপ নিয়ে বিনিয়োগ করতে ছিলো, সে সব দেশ ধরে রাখতে পারেন নাই বর্তমান সরকার বরং সবাই পূজি বিনিয়োগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, সরকার নির্বিকার!
সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন ঐতিহাসিক স্হাপনাগুলো ভাঙার জন্য “আল-জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন”!
তিনি শক্তিশালী মিডিয়া বিবিসি ও আল-জাজিরার
টার্গেটে পরিনত হয়েছেন রাজনৈতিক প্রজ্ঞার অভাবে অপরিপক্ক উপদেষ্টাদের বুদ্ধি শুনে এবং আওয়ামী লীগের জনসমর্থন বুদ্ধির ভুলে বাড়িয়েছেন জ্যামিতিক হারে! অথচ গতবছর ঠিক এই দিনে আজকের থেকে অর্ধেক সমর্থন ছিলো না, হোক সেটা মিথ্যা প্রপাগান্ডার জন্য বা আওয়ামী ব্যর্থতার জন্য !
বর্তমান সরকার সংবিধান পরিবর্তন যাদের দ্বারা করতে চান তাদের “ডঃ কামাল ব্যারিস্টার আমীরের” এক দাঁতের বুদ্ধি নাই, বাকী নয়জনের কথা না-ই বা বললাম!
আওয়ামী কয়েক হাজার লোক জেলে ঢুকানো এবং
বড়বড় রাজনৈতিক নেতাদের বিচার যে ধারায় করা হচ্ছে সেই “হাসিনার বানানো আন্তর্জাতিক ক্রাইম ট্রাইবুনাল এ্যাক্ট ১৯৭৩, তা এদের বিচারে প্রযোজ্য নয়!” প্রথমে বলা হয়েছে ২০ হাজার হত্যা, ১০ হাজার, ২ হাজার, এখন স্হায়ী হয়েছে সংখ্যা আট শো-তে!
কত হত্যা হলে Genocide হয়, সরকার পরিবর্তনে Independence বলা যায় কিনা, Humanity and Democracy লংঘন কি, এসব বিষয় সম্যক জ্ঞান থাকা প্রয়োজন অন্যথায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খেলু সাজতে হয়, তোপের মুখে পড়তে হয় বৈদেশিক মিডিয়ার! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পিছে আছে এমন টা যেদেশের শাসকেরা ভেবে লাগামহীন চলেছেন তাদের পরিনতি দারুন খারাপ হয়েছে! যে সব দেশ যুদ্ধ করে স্বাধীনতা পেয়েছে তাদের সাথে একটা দাবীর মুখে একটা নির্বোধ অপরিনামদর্শী শাসকের পলায়ন কে এক করে দেখলে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলে না! হাসিনা সরকার উন্নয়ন করেছে, তিনি বিশ্বের রোল মডেল বলে সনদ দেন বিশ্বের খ্যাতিমান সৎ শাসক মালয়েশিয়ার “মাহাথির মোহাম্মদ”! এসব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথা তুলসিগ্যাবাল্ট রা খোঁজ রাখেন! বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী “স্টার মার্ক” দেখা করেন নাই এমন বিরল ঘঠনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জ্ঞাত আছেন!
নীতি পরিস্থিতি পরিবর্তনে আমেরিকার সময় লাগে না! কিসিঞ্জার পলিসি, ” Nothing permanent neither friendship nor enmity, only interest!
আমেরিকা জনগণের শিকড় গাড়া ব্যক্তিকে পছন্দ করে, ভালবাসে বন্ধুত্ব করতে, তাই জাপানে বোমা ফেলেও বড় বন্ধু তারা। ভুলে গেলে চলবে না আওয়ামীলীগ এখন ও ১৮ কোটি মানুষের ৬ থেকে ৮ কোটি লোকের প্রতিনিধিত্ব করে, কথাটা তাদের বড় শত্রু বিএনপির মুখে বলা!
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন। দেশকে কেউ ভালোবাসলে তার হাতে দেশ নিঃশেষ হবে না, ভাববেন কথাটা! চাঁদাবাজি লুঠপাট হত্যা ধর্ষণ নিজেরা নিজেরা নাটক করে জনগনকে বোকা বানানো সরকারের একটা বড়দিক যা জনগন বুঝে ফেলেছে! আপনারা খেয়াল করেন!