• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
জবি ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ কবিতা: দোষ দিবে কারে জননেতা খোকন চৌধুরীকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না- এসএম সাইমুন দুই বছর পর চালু হচ্ছে খুলনা-কলকাতা বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি যশোরে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতার তাগিদ পাঁচবিবি থানা পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল উদ্ধার বর্ণশিল্পী ধনঞ্জয় রায়ের শুভ জন্মদিনে খুলনা আর্ট একাডেমির আন্তরিক শুভেচ্ছা খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী – প্রাচুর্য-পার্থিব দুই ভাইয়ের সাফল্যে আনন্দিত কবিতাঃ স্বপ্নই বেঁচে থাকার প্রেরণা ধামইরহাটে সমন্বিত পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক গম্ভীরা

যেখানে AI থেমে যায়, সেখানেই লেখকের শুরু

Reporter Name / ২১৬ Time View
Update : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

লেখকঃ মারিয়াম রামলা

AI কে বললেই কি আর কবিতা হয়ে যায়, নাকি কোনো মন ছোঁয়া গল্প হয়?
রোবট বা কোনো অ্যাপ যদি দুঃখ-কষ্ট আর অভিমান বুঝতো, তাহলে এই জগতে আপনার চেয়ে আপন AI-ই হতো।
জীবন দুমড়ে-মুচড়ে আছে বেদনায়, কান্নায়; সবটুকু দুঃখ লুকিয়ে আবার নতুন করে আশার ভেতরে—যে একটা গভীর সমুদ্র মনের কোণে লুকিয়ে আছে, সেটা কি AI প্রকাশ করতে পারে?
সে তো জানে পুরনো গল্পগুলো নতুন করে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে বলতে। কারণ পৃথিবীতে প্রতিটা লেখক শত শত লিখে গেছেন, আর এত শত বইয়ের গল্প-কবিতা সবার কি জানা আছে? AI বললেই তো হলো না সে লিখেছে—তার ভেতরে কিছু গল্প, কবিতা, গান সেট করা হয়েছে, সেগুলোকেই সে সবার কাছে বিলিয়ে দেয়।
একজন মানুষের মনের ভাব শত বছর সাথে থেকেও কেউ সঠিকভাবে বোঝে না, আর লোকে বলে AI নাকি সব বোঝে!
শুধু ইচ্ছে হলেই কি লেখক হওয়া যায়? কতই বা মেলে লিখে যে পকেট ভরে ভরে AI গল্প সাজায়!
পৃথিবীটা যতই বদলে যাক, যতই অ্যাপ আর AI রোবট আসুক না কেন—মানুষের ভেতরে যেমন ‘রূহ’ (প্রাণ) দেওয়ার কারো সাধ্য নেই, ঠিক তেমনই AI-এরও লেখার ভেতর জান আনার ক্ষমতা নেই। লেখক মৃত্যুর সময়েও একটা গল্প লিখে যান, আর AI সেই গল্পের দাড়ি, কমা বা এডিট করতে পারবে; কিন্তু সেই শেষ সময়ের অনুভূতিটা কখনোই দিতে পারবে না।
সত্যিকারের লেখক মন থেকে লেখেন। এমনকি মৃত্যুর শেষ সময়ে শুয়েও তিনি সমাজকে একটা শিক্ষা, একটা গল্প বা একটা কবিতা লিখে দিয়ে যান। আর সত্যিকারের লেখকেরা মরে যাওয়ার পরেও তাদের প্রতিটা শব্দ মানুষের মনে আজীবন কথা বলে যায়, যুগ যুগ ধরে বেঁচে থাকে।
আর প্রতিটা মানুষই তো একসময় বৃদ্ধ হয়ে যায়, বয়স হয়ে যায়। তখন তার সাথে কথা বলার মতো কেউ থাকে না, কেউ তাকে সহজে সময় দিতে চায় না। তখন সেই চরম একাকীত্ব দূর করতে লেখকদের একটা বিরাট সঙ্গী থাকে—তার নিজের মনের ভাষা, তার নিজের অনুভূতি দিয়ে লেখা কবিতা, তার গল্পই তখন তার সাথে কথা বলে, তাকে সঙ্গ দেয়। তার মন নিজের সৃষ্টির মাঝে নিজের প্রতিটা কথা শুনতে পায়, বুঝতে পারে এবং জবাবও খুঁজে পায়।
জীবনের শেষ বয়সে নিজের সৃষ্টির এমন অমূল্য সঙ্গী পাওয়াটা অনেক বড় ভাগ্যের ব্যাপার, যা শুধু একজন সত্যিকারের লেখকই পেয়ে থাকেন। AI দিয়ে ধার করা লেখা চুরি করে এই পরম তৃপ্তি কখনো পাওয়া সম্ভব নয়।
লেখক লেখক-ই থাকবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd