মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ১ হাজার ১৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার ধর্মগড় ইউনিয়নের ভরনিয়া শিয়ালডাঙ্গী ও কাশিপুর ইউনিয়নের পাটাগড় জোতগাঁও এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ধর্মগড় ইউনিয়নের ভরনিয়া শিয়ালডাঙ্গী গ্রামের মো. হুমায়ুন কবিরের ছেলে মো. আজিজুল ইসলাম ওরফে পটল (৪২) এবং কাশিপুর ইউনিয়নের কাশিডাঙ্গা গ্রামের মো. ধনীবুল্লাহর ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৩৭)।
রাণীশংকৈল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেনের দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. খোদাদাদ হোসেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আলমগীর রহমানের তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
রাণীশংকৈল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমানুল্লাহ আল বারীর নেতৃত্বে থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রহমাতুল্লাহ রনি, এসআই খোকা চন্দ্র রায়, এএসআই জ্যোতিষ চন্দ্র রায়, এএসআই সামিউল ইসলাম ও এএসআই ফারুক হোসেনসহ পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত দেড়টার দিকে ধর্মগড় ইউনিয়নের ভরনিয়া শিয়ালডাঙ্গী এলাকায় অভিযান চালায়।
এ সময় আজিজুল ইসলাম ওরফে পটলকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ৬৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশের হিসাবে উদ্ধার করা এসব ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
পুলিশ জানায়, আজিজুলকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত আড়াইটার দিকে কাশিপুর ইউনিয়নের পাটাগড় জোতগাঁও এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে আনোয়ার হোসেনকে আটক করে তার কাছ থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দুই অভিযানে মোট ১ হাজার ১৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের হিসাবে উদ্ধার করা মাদকের আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
আজিজুলের বিরুদ্ধে পাঁচ মামলার তথ্য
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তার আজিজুল ইসলাম ওরফে পটলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন আইনে পাঁচটি মামলা আছে।
রাণীশংকৈল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রহমাতুল্লাহ রনি জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় থানায় মামলা করা হয়েছে।
রাণীশংকৈল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমানুল্লাহ আল বারী বলেন, “মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক সংক্রান্ত তথ্য পেলে যাচাই-বাছাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”