• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
লোহাগাড়ার বিভিন্ন সড়কের এখনো বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে সার্টিফিকেট নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসাই প্রকৃত নেতৃত্বের অলংকার’—অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন ছাত্রীকে বেশি নম্বর দেওয়ার প্রলোভনে আপত্তিকর প্রস্তাব শিক্ষকের, অডিও ভাইরাল গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মানবিক উদ্যোগে নতুন ঘর পেলেন ‘এক টাকার মাস্টার’ জুলাই অভ্যুত্থানের একমাত্র মাস্টারমাইন্ড মহান আল্লাহ,ইনসাফ গার্ডের সভাপতি খান রায়হান পানামনগরে জবি তরুণ লেখক ফোরামের নবীনবরণ ও বনভোজন অনুষ্ঠিত খুলনা আর্ট একাডেমির পক্ষ থেকে বর্ণশিল্পী ধনঞ্জয় রায়কে ফুলেল শুভেচ্ছা ভালোবাসা, বিশ্বাস ও ত্যাগের ১২ বছর পেরিয়ে ১৩তম বছরে নুর ইসলাম মৃধা দম্পতি অণুগল্প: সঠিক ঠিকানা নাগেশ্বরীতে একই দিনে দুই বীর মুক্তিযোদ্ধার পরলোকগমন, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

লোহাগাড়ার বিভিন্ন সড়কের এখনো বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

Reporter Name / ৩ Time View
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর বেহাল দশা দীর্ঘদিনেও কাটেনি। বর্ষার বৃষ্টিতে সড়কের খানাখন্দগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সসহ সব ধরনের যানবাহনের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে জনদুর্ভোগ দিন দিন আরও প্রকট আকার ধারণ করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে অসংখ্য ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের একাংশ ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ায় চালকরা গর্ত শনাক্ত করতে না পেরে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশার যাত্রীদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কগুলোর স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় দুর্ভোগ এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। অনেক স্থানে নামমাত্র সংস্কার করা হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো আবারও নষ্ট হয়ে যায়। এতে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জরুরি চিকিৎসা সেবাও ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যালয় ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা জানান, বৃষ্টির দিনে কাদা ও পানি মাড়িয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। অনেক সময় পোশাক নষ্ট হয়ে যায়, আবার দুর্ঘটনার আশঙ্কায় অভিভাবকেরাও উদ্বিগ্ন থাকেন।

এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার কথা জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। দ্রুত টেকসইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কার না করলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা তাদের।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কার করে নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd