নিজস্ব প্রতিবেদক:
আশিক্কীনে আউলিয়া পরিষদ এর আয়োজনে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.)-এর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দরবারে সুলতানুল আউলিয়া সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফে “রাহমাতুল্লীল আলামীন কনফারেন্স” ও “জসনে জুলুছ” আগামী ২৬ আগষ্ট-২০২৬ইং, বুধবার, সকাল ৮: ৩০ ঘটিকায় দরবারে সুলতানুল আউলিয়া সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফ, নড়িয়া, শরীয়তপুর অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন বাংলার ঈমাম গাজ্জালী খ্যাত আর্ন্তজাতিক খ্যাতিমান দার্শনিক, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (দর্শন বিভাগ) এর সাবেক চেয়ারম্যান, শাহসুফি প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান।
“রাহমাতুল্লীল আলামীন কনফারেন্স ও জসনে জুলুছে” সভাপতিত্ব করবেনঃ মহান সুরেশ্বর দরবার শরীফের গদিনশীন পীর ও মুর্শীদ ক্বিবলা, সুরেশ্বরীয়া তরিকার রূপকার, প্রবর্তক ও ঘোষক, শাহ্ মুজাদ্দিদ হযরত সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী বেলাল নূরী আল সুরেশ্বরী (মাঃ জিঃ আঃ), প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, আশিক্কীনে আউলিয়া পরিষদ ও সাবেক সভাপতি, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়া’ত।
স্বাগত বক্তব্য রাখবেন আশিকীনে আউলিয়া পরিষদ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি, সুরেশ্বর দরবার শরীফ-এর শাহজাদা প্রফেসর ড. সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী মুক্তাদির নূরী আল সুরেশ্বরী।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত
শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো,(প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)এর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, গুরুর বাড়ী দরবারের পীর সাহেব, হিডস লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন ও দি কনসোর্টিয়াম এর চেয়ারম্যান, লায়ন ডা. মোঃ হারুন অর রশিদ আল চিশতি, বাংলা একাডেমি এর পরিচালক মুফতি প্রফেসর ড. মোঃ হারুন অর রশিদ, সাবেক চীফ ফিজিশিয়ান, সিএমএইচ (ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল প্রফেসর ডা. রুহুল আমিন, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক, তমদ্দুন মজলিশ এর সভাপতি ড. মুহাম্মদ সিদ্দিক, নজরুল গবেষক, রাষ্ট্র চিন্তক ও বিশিষ্ঠ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নিউ ইয়র্ক ম্যানহাটন ইউনিভার্সিটি এর প্রফেসর ড. শহীদ মনজু ,ওলার্ড ওয়াইট হিউম্যান রাইস্ ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান, প্রফেসর ড. এমদাদুল হক খান সহ পীর-মাশায়েক ও বিশিষ্ঠ জনেরা উপস্থিত থাকবেন।
অনুষ্ঠান সূচীর মধ্যে রয়েছে, সকাল ৯:০০ ঘটিকায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত সকাল ৯: ১৫ মিনিট ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সা.) শীর্ষক আলোচনা, সকাল ১০: ১৫ মিনিট জনে জুলুস, দুপুর ২: ৩০ মিনিট মিলাদ ও সমাপনী মুনাজাত।
শাহ্জাদা প্রফেসর ড. সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী মুক্তাদির নূরী আল সুরেশ্বরী সকল আশেকে রাসুল, ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের নবীপ্রেমের অমিয় সুধায় সিক্ত হতে জশনে জুলুস ও পবিত্র আলোচনা সভায় শরিক হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন সুফিবাদের মূল বাণীই হলো স্রষ্টা এবং তাঁর প্রিয় রাসুল (সা.)-এর প্রতি নিঃশর্ত ভালোবাসা। এই ভালোবাসাকে হৃদয়ে ধারণ করে আধ্যাত্মিক ও নৈতিক উৎকর্ষ সাধনের এক অনন্য মাধ্যম হলো জশনে জুলুস।
তিনি আরো পবিত্র মিলাদুন্নবী (সা.) ও জশনে জুলুস কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক মহিমান্বিত মহাসমাবেশ। বর্তমান অশান্ত ও কলুষিত পৃথিবীতে সাম্য, শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি বিশুদ্ধ মহব্বতের কোনো বিকল্প নেই। সুরেশ্বরী দরবার শরীফের ঐতিহ্য অনুযায়ী, এই আয়োজন ভক্তদের অন্তরে ইশকে রাসুল বা নবীপ্রেমের বাতি জ্বেলে দেওয়ার এক আধ্যাত্মিক আলোচনা ও জশনে জুলুস।
এই জশনে জুলুস ও আলোচনা সভায় শরীক হওয়া প্রতিটি মুমিনের জন্য ঈমানি দায়িত্ব ও আত্মিক আনন্দের উৎস। আধ্যাত্মিক আয়োজনে যোগদানের মাধ্যমে মানুষ হিংসা, বিদ্বেষ ও অহংকার ভুলে গিয়ে সাম্য এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়।
ড. মুক্তাদির নূরী আল সুরেশ্বরী সকল ভক্ত অনুরাগী ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে এই বরকতময় সমাবেশে দলে দলে যোগ দিয়ে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ হাসিল করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন।
আসুন, আমরা সকলে নবীপ্রেমের এই মহতী আয়োজনে শামিল হয়ে আমাদের কলবকে জিন্দা করি এবং সুরেশ্বরী দরবারের আধ্যাত্মিক ফয়েজ ও বরকত লাভে ধন্য হই।