• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কাকিনায় ট্রাক-অটো মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ২ পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, সেক্রেটারি নিলয় চক্রবর্তী পাঁচবিবি সীমান্তে মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৪২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি নতুন কমিটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত সভাপতি খলিল, তরুণ সাংবাদিকদের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির পৃথক অভিযানে ইস্কাফসহ হেরোইন ও গাঁজা আটক পাঁচবিবির যমুনা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত নেত্রকোণায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ডিমলা-পাটগ্রামে বিজিবির অভিযান: ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বিদেশি মদ জব্দ নেত্রকোনায় থামছে না বাল্যবিয়ে, ১১ মাসে বন্ধ হলো ২১টি বিয়ে

সুনামগঞ্জে চুরির ঘটনায় যুবলীগ নেতাকে পুলিশে দিলেন বাবা

Reporter Name / ৩৪০ Time View
Update : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে চুরির ঘটনায় যুবলীগ নেতা ইছা মিয়া (৩৫) কে থানায় ধরিয়ে দিলেন বাবা। এর আগে ইছা মিয়াকে হাত-পা বেঁধে মারধরের পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সে উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের সাধেরখলা গ্রামের সায়েদ আলীর ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

রবিবার (১৫জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ৩নং বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের সাধেরখলা গ্রামের সায়েদ আলী বাদি হয়ে গতকাল তার ছেলে ইছা মিয়ার নামে লিখিত অভিযোগ করেন,পরে তাকে আটক দেখিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

ইছা মিয়ার বড় ভাই সাবেক মেম্বার হযরত আলী বলেন, কয়েকদিন আগে আমার ছোট ভাই ইছা মিয়াকে চুরির অপরাধে গ্রামবাসী আটক করে খুঁটির সাথে হাত পা মারধর করে ছেড়ে দেয়। মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে সামাজিক ভাবে আমাদের লজ্জা পেতে হয়েছে। গ্রামবাসী ছেড়ে দেয়ার পর আমরা থাকে চিকিৎসা করাই।
এক পর্যায়ে সে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নে তার শশুর বাড়ি চলে যায়। পরে খবর পেয়ে তাকে সেখান থেকে হাত-পা বেধ ধরে এনে থানায় সোপর্দ করি।
এঘটনায় আমাদের বাবা সায়েদ আলী বাদি হয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।
ইছা মিয়ার বড় ভাই সাবেক মেম্বার হযরত আলী আরো বলেন, আমাকে নিয়ে এলাকার কিছু লোক সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে অপপ্রচার করে যাচ্ছে আমি তো কোন অপরাধী না।
অপরাধ করলে আমার ছোট ভাই করছে তাকে আমরা আইনের হাতে তুলে দিচ্ছি এখন বিচার আইনি প্রক্রিয়ায় হবে।

উল্লেখ যে, সাধেরখলা হাজি এমএ জাহের উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন রহিম মিয়ার দোকানে গত শনিবার (৩১ মে) রাতে একটি চুরির ঘটনা ঘটে।
পরের দিন রোববার সকালে অনেক খোঁজাখুঁজির পর চোর সন্দেহে ইছা মিয়াকে ধরে আনে গ্রামবাসী।
এ সময় তাকে রহিমের দোকান ঘরের খুঁটিতে বেঁধে মারধর করলে সে চুরি করেছে বলে স্বীকারোক্তি দেয়।
এরপর তার কাছ থেকে চুরি হওয়া কিছু মালামাল উদ্ধার করেছে বলেও জানা গেছে।
এছাড়াও সে ওই এলাকায় আরও একাধিক বাড়িতে ও মসজিদে চুরি করেছে বলেও স্বীকারোক্তি দিয়েছে। পরে গ্রামবাসী তার স্বজনদের খবর দিলে তারা কোনো সাড়া দেননি। একপর্যায়ে গ্রামবাসী সংশ্লিষ্ট গ্রামের ইউপি সদস্য রোপন মিয়াসহ স্থানীয়রা কাগজে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়।
এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা।
এনিয়ে গত ৩জুন “মসজিদে চুরি করে স্বীকার করলেন যুবলীগ নেতা” শিরোনামে অনলাইন ও পিন্ট মিডিয়াতে সংবাদ প্রকাশ হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd