• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর: নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে ডিআইজি ও পুলিশ সুপার খুলনার কয়রায় ১৪৫ কেজি হরিণের মাংস জব্দ লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও গার্ড অব অনারে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত নবাগত এসিল্যান্ডের সাথে সিংগাইর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মোর নাম এই নামে হোক, আমি তোমাদেরই লোক’—ঠাকুরগাঁওয়ে আবেগে রাষ্ট্রপতি ​নারায়ণগঞ্জে ট্রাফিক পরিদর্শক আব্দুল করিমের বিদায় ও জিয়াউদ্দীনের যোগদান শিশু শিল্পীদের নিয়ে মোমবাতি প্রজ্জলন এর মাধ্যমে খুলনা আর্ট একাডেমির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন শিকড়ের টানে ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতি, বাবা-মায়ের কবরের পাশে আবেগঘন মুহূর্ত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের মোবাইল ফোন উদ্ধার! প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর

​বটিয়াঘাটা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক হেলালের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

Reporter Name / ১০ Time View
Update : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

​মোঃ আবু সাঈদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ

বটিয়াঘাটা (খুলনা): খুলনার বটিয়াঘাটায় জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উপজেলা আহ্বায়ক মো. হেলাল শেখের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত কাজের কথা বলে ২০ লাখ টাকারও বেশি আত্মসাৎ এবং পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় জীবননাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
​শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন বটিয়াঘাটা সদর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. ইউনুস হাওলাদার। এসময় তিনি পাওনা টাকা উদ্ধার, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইউনুস হাওলাদার জানান, দলীয় ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন প্রয়োজনের কথা বলে মো. হেলাল শেখ তাঁর কাছ থেকে ধাপে ধাপে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেন। হিসাব বিবরণী তুলে ধরে তিনি জানান:
​আইনি ও জমি সংক্রান্ত: হাইকোর্টের কাজের কথা বলে ৪ লাখ ১১ হাজার টাকা, হোগলবুনিয়া মৌজায় বোরো ফিট বাবদ ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫১ টাকা, হেতালবুনিয়ার জমি বিক্রি বাবদ ৩২ হাজার টাকা,গুপ্তমারী চর বন্দোবস্ত বাবদ ৬০ হাজার টাকা এবং গুপ্তমারী শশার কাজ বাবদ ৩২ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়।
​ব্যবসা ও অন্যান্য প্রজেক্ট: মংলায় বালি তোলার কাজ বাবদ ৫৫ হাজার টাকা এবং বগুড়ার ব্যবসার কথা বলে ৫৮ হাজার ৬২ টাকা গ্রহণ করেন হেলাল শেখ।
​তৃতীয় পক্ষের অর্থ: রবিউল ইসলামের ৫০ হাজার টাকা, শংকর মল্লিকের ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা, শংকর মল্লিকের হোগলবুনিয়ার জমির কাজের ১ লাখ ৬ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সাচিবুনিয়ার মিলন ভাইয়ের ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা হেলালের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
​দলীয় ও যাতায়াত খরচ: রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক যোগাযোগ, দলীয় পার্টি, অফিস ভাড়া, আসবাবপত্র ক্রয় ও হোটেল খরচ ছাড়াও ইজিবাইক ভাড়া বাবদ ২৫৫ দিনে (দৈনিক ৫০০ টাকা হারে) ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে।
​ইউনুস হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন খাতে দেওয়া ২০ লাখের বেশি পাওনা টাকা ফেরত চাইলে হেলাল শেখ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জীবননাশের হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি তিনি নিজেকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে পরিচয় দিয়ে দাপট দেখাচ্ছেন। বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে থাকায় আমি ও আমার পরিবার এখন চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটে দিন কাটাচ্ছি।
​তিনি আরও জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালোনো হয় এবং তাঁর বড় ভাই বটিয়াঘাটা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল নাসির হাওলাদারের (কালু) বিরুদ্ধে একাধিক রাজনৈতিক মামলা দেওয়া হয়। পরিবারের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্যও হেলাল শেখ তাকে চাপ সৃষ্টি করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
​জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দলীয় কর্মসূচি ও সাংগঠনিক কাজে নিজস্ব অর্থ ব্যয় করে সক্রিয় থাকলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর পক্ষে আর দলীয় কার্যক্রম চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে জানান এই শ্রমিক দল নেতা।
​এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইউনুস হাওলাদার আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, পাওনা অর্থ উদ্ধার এবং তাঁর পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd