• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

গোয়াইনঘাটে রাস্তা সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ, সরেজমিনে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাকুর বাজার-মানিকগঞ্জ সড়কের সংস্কারকাজের মান নিয়ে ওঠা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন সিলেট স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মামুন খান।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি সংস্কারাধীন সড়কটি পরিদর্শন করেন। এ সময় সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখে কাজের গুণগত মান যাচাই করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে কাজের মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিফ এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার এনাম উদ্দিন তাপাদারকে ‘রুচি খারাপ’ মন্তব্য করে তিরস্কার করেন। একই সঙ্গে তিনি নিম্নমানের কাজ না করে নির্ধারিত নকশা ও সরকারি মানদণ্ড অনুসরণ করে সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

এ সময় গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমদ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিফ এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার এনাম উদ্দিন তাপাদারসহ এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মামুন খান বলেন, “ঠিকাদারের সঙ্গে আমাদের চুক্তি এখনও চলমান। কাজের পূর্ণ বিল এখনো পরিশোধ করা হয়নি। বৃষ্টি পুরোপুরি থামলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনরায় সংস্কার করে দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি এখানে যেটা দেখলাম, রাস্তার দুইপাশ উঁচু এবং উভয় পাশে বাঁশঝাড় থাকায় বৃষ্টি হলেই সড়কের ওপর পানি জমে থাকে। এ কারণে আমরা এখানে ইউনিব্লক অথবা আরসিসি ঢালাই করার পরিকল্পনা করছি। বিষয়টি সম্পর্কে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ও অবগত আছেন। এ অবস্থায় নিয়মিত যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকলে এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকলে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।”
এ সময় তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখা, পানি চলাচলের পথ দখলমুক্ত রাখা ও সম্মিলিত উদ্যোগে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, হাকুর বাজার-মানিকগঞ্জ সড়কের সংস্কারকাজের মান নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের পর সম্প্রতি বিষয়টি আলোচনায় আসে। কাজ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যাওয়া, গর্ত সৃষ্টি এবং বৃষ্টির পানি জমে থাকার অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাজের মান যাচাই করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd