• শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নেত্রকোনায় ৩৫টি গাছ উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা: জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ডেপুটি স্পিকারের পদ্মার তীব্র ভাঙনে গোদাগাড়ী কুঠিপাড়ায় ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্ক বাঁধ নির্মাণের আকুল দাবি ডোমারে দিনব্যাপী জামায়াতের ইউনিট সভাপতি শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত রেজুখাল বিজিবি চেকপোস্টে ৫,২০০ পিস ইয়াবাসহ এক নারী মাদক কারবারি আটক টঙ্গীতে ১ কেজি হেরোইন ও ২৫০০ পিস ইয়াবাসহ ‘কুত্তা মিজান’ গ্রেফতার কোন মানব রচিত মতবাদ দিয়ে পৃথিবীতে শান্তি আনা সম্ভব নয়- শরীফ মাহমুদ নকলায় ডুবন্ত শিশুকে বাঁচাতে দুই জমজ বোনের নদীতে ঝাঁপ মারা গেলেন একজন গাবীতে মাদক, জুয়া, চুরি, গুজব, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি আলীকদমে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের মামলায় পলাতক আসামি আব্দুল হাকিম গ্রেপ্তার প্রেমের সাড়া না দেয়ায় বাড়িতে হামলা, ভ্রাম্যমান আদালতে একবছরের কারাদণ্ড

কটিয়াদীতে অসহায় তানজিনাকে স্বাবলম্বী করতে, ইউএনওর সেলাই মেশিন উপহার

Reporter Name / ৫৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

রতন ঘোষ, কটিয়াদী প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার চান্দ্পুর ইউনিয়নের মদিনাছ পাড়ার তানজিনা বেগম তিনটি সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। তার সংসারে সে ব্যতীত আর কোন উপার্জন যোগ্য ব্যক্তি নেই। তার ইচ্ছা ছিল নিজে কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ার। কিন্তু তার ইচ্ছা বাস্তবায়নে নিজস্ব কোন সামর্থ্য ছিল না। এ অবস্থায় কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তানজিনা। তার এই অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন উপজেলা প্রশাসন। ২৫ শে আগস্ট কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা আফরোজ মারলিজ তার কার্যালয়ে অসহায় তানজিনার হাতে একটি সেলাই মেশিন তুলে দেন।
সেলাই মেশিন পেয়ে তানজিনা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হচ্ছিল, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর কথা বিবেচনা করে নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের সহযোগিতা চেয়েছিলাম। সেই সেলাই মেশিন পেয়ে কাজ করে এখন আমার সন্তানদের জন্য কিছু করতে পারবো বলে আশা করছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, তানজিনা তার পরিবারের অসচ্ছলতার কথা জানিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তার তিনটি ছোট ছোট সন্তান রয়েছে এবং পরিবারের উপার্জন যোগ্য কেউ না থাকায় তিনি বেশ সমস্যার মধ্যে ছিলেন, তাই তাকে এমন একটি উপহার দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে তিনি নিজে কাজ করে, আয় করতে পারবেন। আমরা চাই সেলাই কাজের মাধ্যমে তিনি যেন ধীরে ধীরে, স্বাবলম্বী হয়ে উঠেন এবং সন্তানদের উপযুক্ত করে তুলতে পারেন। সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো উপজেলা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। আমার আমাদের সাধ্যঅনুযায়ী এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd