• বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নিয়ামতপুরে বাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও অস্ত্রাগার পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ইয়াতিম-অসহায়ের অধিকার রক্ষা ও ব্যবসায় নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার আহ্বান: চুনতীর সীরাতুন্নবী মাহফিলে বক্তারা ধামইরহাটে হাসুয়ার কোপে এক যুবক নিহত জীবন সংগ্রামে ঝুঁকি নিয়ে গাছ ঝুরে চলছে জলিলের জীবিকা সুনামগঞ্জের নতুনপাড়াস্থ শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গণে চিত্রাংঙ্গন ও কুইজ প্রতিযোগিতা, ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (রাজস্থলী সার্কেল) বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নেত্রকোনায় পুকুর দখল করে নির্মিত অবৈধ দুইতলা ভবন উচ্ছেদ শুরু নেত্রকোণায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ওয়ান ইনস্টিটিউশন, ফোর ক্লাবস’ কার্যক্রম পরিদর্শন ডাক-টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে এমপি মানসুরা আলম

ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল ও মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ: জনস্বাস্থ্যে বাড়ছে উদ্বেগ

Reporter Name / ৪৪ Time View
Update : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম টিটু, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

দৈনন্দিন জীবনে পানীয় ও বিভিন্ন খাদ্যপণ্য সংরক্ষণে প্লাস্টিকের বোতলের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ব্যবহারের পর এসব প্লাস্টিক বোতল যথাযথভাবে অপসারণ ও পুনর্ব্যবস্থাপনা না হওয়ায় পরিবেশে তৈরি হচ্ছে দূষণের ঝুঁকি। দীর্ঘদিন পরিবেশে পড়ে থাকা প্লাস্টিক ধীরে ধীরে ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়ে মাইক্রোপ্লাস্টিক সৃষ্টি করতে পারে, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠছে।
ধর্মপাশা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতলসহ নানা ধরনের প্লাস্টিক বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এসব বর্জ্য খাল-বিল, নদী-নালা ও জলাশয়ে গিয়ে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করার আশঙ্কা তৈরি করে। প্লাস্টিক বর্জ্য দীর্ঘ সময় ধরে মাটি ও পানিতে থেকে ধীরে ধীরে ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হতে পারে এবং পরিবেশের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
এ বিষয়ে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনি রায় বলেন,
“প্লাস্টিক ও মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ বর্তমানে পরিবেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল ও অন্যান্য প্লাস্টিক বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলে সঠিকভাবে সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা করা অত্যন্ত জরুরি। পরিবেশ রক্ষায় একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। প্লাস্টিক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশ দূষণ ও মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।”
সচেতন মহলের মতে, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, ব্যবহৃত বোতল ও পলিথিন নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি স্কুল-কলেজ, বাজার ও জনসমাগমস্থলে প্লাস্টিক দূষণবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষায় আজকের সচেতনতাই হতে পারে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পৃথিবী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd